মমতার তৃণমূল উঠে গিয়েছে, কটাক্ষ অভিষেককে! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হরকিষেণ সিং সুরজিতের তুলনা দিলীপ ঘোষের
জানি না কার সঙ্গে সংযোগ করবেন। যে নেতারা সিবিআই ডাক পাচ্ছেন, তাদের হাল জানতে গেছেন হয়তো। দলে পুরনো লোক আর কে কে আছে হয়তো সেটাই দেখতে গেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলে নব জোয়ার কর্মসূচি নিয়ে কলকাতায় এমনটাই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, নতুন তৃণমূল হয়েছে। মমতার তৃণমূল হয়তো উঠে গেছে। ওই নেতারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আলেকজান্ডার যেমন ভারত অভিযানে এসেছিলেন, অনেকটা সেরকমই। তিনি বলেন, সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে তিনি শুনেছেন এক একটা তাবুর একদিনের ভাড়া পঁচিশ হাজার টাকা।

দিলীপ ঘোষ বলেছেন, রাজনীতির ধারা এখন এরকমই। বাংলার মানুষ অন্য রাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, ওনারা আগে ঘোষনা করেছিলেন, ষাট হাজার প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন। এতোদিন কারা ঠিক করত? এখন বলছে মানুষ ঠিক করবে? প্রতিবার ভাঁওতাবাজির রাজনীতি দিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা হয়, মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।
বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, তাঁর বেশ মজা লাগছে। এই প্রথম রাজনীতি শুরু হল প্রার্থী কাকে চাই। এটাই যদি পাঁচ বছর আগে গিয়ে বলত, মানুষ বুঝত। তখন তো পঞ্চায়েত লুঠ করেছেন। পাঁচ বছরে মানুষকে পরিষেবা দেননি। ধনসম্পত্তি লুঠ করেছেন বলে অভিযোগ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন মানুষ এসবের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। কেননা মানুষ পরিত্রাণ চাইছেন।

কালিয়াগঞ্জ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আর প্রশাসন নেই। সবাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। গ্রামে লোক দাঁড় করিয়ে গো ব্যাক শ্লোগান করা হচ্ছে। জানি না একটা সরকার এভাবে কতদিন চলতে পারে। তিনি বলেন, রাজ্যের ইমেজ ধূলোয় লুটিয়ে যাচ্ছে। এটা নিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

নবান্নে মমতা-নীতীশের বৈঠক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, আগে সিপিএম-এর হরকিষেণ সিং সুরজিত ঠিক এই জিনিসটাই করত। যা করে পার্টিটাই তুলে দিল। এবার মমতা সেই রোল প্লে করেছেন। পটনা, মুম্বই, লখনউ ঘুরে বেড়ালেন। এক ডজন সিট কমে গেল। পার্টিটা লোকাল পার্টি হয়ে গেল। কটাক্ষ করে তিনি বলেন নীতীশ কুমার তীর্থযাত্রায় বেরিয়েছেন।
নবান্নে মমতা-নীতীশের বৈঠককে কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, এখন থানা হচ্ছে তৃণমূলের মণ্ডল অফিস। ওসি হল তার সভাপতি। এসপি অফিস হল তৃণমূল জেলা অফিস। জেলাশাসক হলেন জেলা প্রেসিডেন্ট। নবান্ন বাকি ছিল। এখন ওটাই ওদের রাজ্য কার্যালয়। তিলজলার অফিসটা এবার ওখানে চলে যাবে, মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications