'ভারতের রাজনীতি পাল্টাচ্ছে', তৃণমূলের সর্বভারতীয় তকমা চ্যূতি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দিলীপের
দলের প্রতীক কেড়ে নেওয়া উচিত। তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ। গতকালই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে। আবার প্রাদেশিক পার্টির পর্যায়ে ফিরে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তারপরেই বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র নিশানা করে বলেছেন, 'পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল এখন অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছে। সর্বভারতীয় পার্টি হবার স্বপ্ন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন, দিল্লি জেতার স্বপ্ন, আপাতত মুলতুবি রাখতে হবে।'

একুশের ভোটের পর সর্বভারতীয় স্তরে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মত ত্রিপুরা, মেঘালয় , অসম, গোয়া সংগঠন শুরু করে তারা। গোয়া িবধানসভায় প্রথম প্রার্থী দিয়েছিল তারা। কিন্তু একটি আসনও জিততে পারেনি। সেখানে সংগঠনকে শক্তিশালী করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্রের উপরে। তারপরে ত্রিপুরা এবং মেঘালয়েও বিধানসভা ভোটে এক প্রকার জামানত জব্দ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। তারপরেই সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের তকমা হারায়
তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের এই পদচ্যূতিতে বিরোধী শিবির যে লাভবান হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। গতকাল থেকেই খবরের শিরোনামে রয়েছে এই ঘটনা। একের পর এক বিজেপি নেতা এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি রীতিমত আক্রমণ শানিয়ে বলেছেন দলের প্রতীক কেড়ে নেওয়া উচিত তৃণমূল কংগ্রেসের। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন দেশের রাজনীতি পাল্টে যাচ্ছে।

দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, 'পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের যে ধরনের দুর্নীতি হিংসা, মারামারি, সাম্প্রদায়িক হিংসা হচ্ছে তার ফলে সারা ভারত তৃণমূল কংগ্রেসের আসল রূপটা জেনে গেছে। কোথাও কেউ আর ভোট দিচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে। প্রচুর টাকা খরচা করেছেন, গোয়া এবং ত্রিপুরায় মনিপুর ও আসামে আর কোথাও ভোট পায়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাদের ভোটের পার্সেন্টেজ কমে গেছে।'
তৃণমূল এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আইনের সাহায্য নিতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তার প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, 'আইনি পথে সবাই যেতে পারেন। আমি তো বলি নির্বাচন কমিশনের সামনে ধরনা শুরু করে দিন। ইট পাথর মারুন। যেটা তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আদালতে গিয়ে কি হবে? নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তেই আদালত সম্মতি জানাবে। এখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তাই হয়েছে। সংবিধান নিয়ম-কানুন এরা কিছুই মানেন না এই পার্টিটাকেই সম্পূর্ণভাবে ব্যান করা উচিত প্রাদেশিক বা সর্বভারতীয় নয়।'












Click it and Unblock the Notifications