'প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন...', বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের গ্রেফতারি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
৩৫ ঘণ্টা জেরার পর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। সোমবার সাত সকালে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে আসছে সিবিআই। এই নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
সোমবার ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে এসে দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন, বড় বড় লোকেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। ঘাবড়ে যাবেন না। আপনাদের পাশে আমি আছি। এটা এতোদিন কেউ বলার ছিল না। তাই এতো দুর্নীতি হয়েছে।'

নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের তৎপরতা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে শাসক দল। তার পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপি নেতা। তিনি বলেছেন, 'এর আগে প্রাক্তন মন্ত্রী ধরা পরেছে। বাঘ ধরা পরেছে। তখন আপনাদের হাইপার এক্টিভ মনে হয়নি? এখন প্রসেস চলছে। ভালোই হচ্ছে। হয়তো বড় বড় লোকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছিল না। এবার পাচ্ছে।'
গত তিন দিন ধরে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিবিআই। ৬৫ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি অভিযান চালানোর পর গ্রেফতার করা হয়েছে বিধায়ককে। কড়া নিরাপত্তায় তাঁকে কলকাতায় নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়েছে। তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা।

সিবিআই জেরায় চাঞ্চল্যকর কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। জেরা চলাকালীন বাথরুম যাওয়ার নাম করে বাইরে বেড়িয়ে নিজের দুটি মোবাইল পুকুরের জলে ফেলে দেন তিনি। সেই মোবাইল ফোন পেতে দক্ষযজ্ঞ কাণ্ড ঘটিয়েছিল সিবিআই। পাম্প নিয়ে এসে পুকুরের জল ছেঁচে ফেলে একটি মোবাইলের সন্ধান পান তাঁরা। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ জলে পড়ে থাকার কারণে তেমন কোনও তথ্য েসখান থেকে উদ্ধার করা হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে
৬৬ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে দ্বিতীয় মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে পেরেছে তদন্তকারীরা। সোমবার দুপুরে দ্বিতীয় মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার থেকে বুল্ডোজার, পাম্প নিয়ে এসে মোবাইল ফোন উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছিল তন্তকারীরা। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ প্রথম ফোনটি উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকে দ্বিতীয় ফোনটির সন্ধান চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। অবশেষে দুটো মোবাইল ফোনই উদ্ধার করতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications