দেড় লক্ষ লোক হয়েছিল গীতাপাঠ অনুষ্ঠানে, তৃণমূলের ভয় ধরেছে, দাবি দিলীপ ঘোষের
লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া ভাষায় আক্রমণ করছে বিজেপিকে। গীতা নিয়ে রাজ্য বিজেপি রাজনীতি করেছে। এমন অভিযোগ করেছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এবার স্বমহিমায় জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ। রীতিমত আক্রমণাত্মক মেজাজে বক্তব্য রাখলেন বিজেপি সাংসদ।
তৃণমূলের অনেক নেতারই মাথার ঠিক নেই। অনেক কিছু বলে। গীতায় সব থেকে বেশি রাজনীতি রয়েছে। সব থেকে বড় পলিটিশিয়ান শ্রীকৃষ্ণ। বলেছিলেন, কোথায়, খোলা মাঠে কুরুক্ষেত্রে। গীতা সম্পর্কে জানেন না। গীতার জন্ম জানেন না। তারা এই ধরনের কথা বলতে পারেন। সেজন্যই গীতা যাদের জন্য, তাদের জন্য। সবার গীতা নিয়ে কী বলার আছে।

কার্যত তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে এমন ভাবেই আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের আগমন থেকে গীতাপাঠ অনুষ্ঠান সব কিছু নিয়েই মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করেছেন পুরনো ঝাঁঝেই। বড়দিনের সকালে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন তিনি। প্রাতঃভবন সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়েছে। স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে কুৎসিত রাজনীতি করছে বিজেপি। এমন দাবি উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেই বিষয় নিয়েও মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। কার্যত তৃণমূলকেই আক্রমণ করেছেন তিনি।
দিলীপ ঘোষের কথায়, সব কিছুর উত্তর হয় না। এখন কী আছে, তৃণমূল পার্টিটাই উঠে যাওয়ার অবস্থায়। কংগ্রেস জানে না কে প্রধানমন্ত্রী হবেন। আর প্রেসিডেন্ট মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করে দিলেন। এই ধরনের পাগলামি চলছে। এমনই কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সাংসদ।
তৃণমূল দাবি করেছিল, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানে লোক হয়নি। মাঠ ফাঁকা ছিল। দিলীপ ঘোষের দাবি, দেড় লক্ষ লোক হয়েছিল ব্রিগেডে। তৃণমূলের এখন মাথার ঘাম পায়ে পড়ছে। তারা কী করবেন বুঝতে পারছেন না। সেই কারণেই এমন উল্টোপাল্টা কথা তৃণমূল নেতারা বলছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা কলকাতা শহরে এসেছেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়ে কথাবার্তা হবে। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক আলোচনা হবে। এমনই জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications