Dilip Ghosh: এলাকায় কেন ঢুকতে পারবেন না বিধায়ক? নওশাদ সিদ্দিকির পাশে দাঁড়ালেন দিলীপ ঘোষ
আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকির পাশে দাঁড়ালের বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছেন, ও তো ওখানের বিধায়ক। বাইরের লোককে মমতা জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দিয়ে গোলমাল পাকানোর জন্য ওখানে ঢুকিয়ে রেখেছে। স্থানীয় বিধায়ক যেতে পারবে না?
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য নওশাদ সিদ্দিকিকে আজ ঢুকতে দেওয়া হয়নি ভাঙড়ে। তাঁকে প্রথমে নিউটাউনে আর্ট একরের কাছে আটকে দেওয়া হয়। তারপরে তাঁকে হািতশালার কাছে আটকায় পুলিশ। বিধায়কের গাড়ি আটকে পুলিশ জানিয়েছে ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি আছে। সেকারণে সেখানে তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এদিকে কারা প্রবেশ করতে পারবে বলে যে তালিকায় পুলিশের কাছে আছে তাতে একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতার নাম রয়েছে। অথচ এলাকার বিধায়কের নাম নেই। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই ভাঙড় সব চেয়ে বেশি উত্তপ্ত থেকেছে। একের পর এক বোমাবাজি, গুলি চলেছে। একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে ভোট সন্ত্রাসে।
রাজ্যে ভোট সন্ত্রাসে ৫০ জন মারা গিয়েছেন। আজো এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি এক কংগ্রেস নেতার মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, অসম, ওড়িশায় আমাদের বহু কর্মী এখনও ভর্তি। হিংসা এখনও চলছে। আটকাতে হবে প্রশাসনকে। ২০১৮ তে রাজ্যে প্রথম পার্টির শক্তি মানুষ টের পায়। মানুষের মনে আশা, এই পঙ্কিল অবস্থা থেকে একমাত্র বিজেপি টেনে তুলতে পারে। তাই তাদের ভরসা বিজেপি।
ভাঙড়ে এক তরফা সন্ত্রাস চলছে বলে অভিযোগ করেছেন দিলীপ ঘোষ। এক তরফ সন্ত্রাস করবে, এটাই হয়ে এসেছে। এবার প্রতিরোধ আসছে। প্রশাসন সক্রিয় নয়। তাই খুন জখম বাড়বেই। রাজ্যে আরও ১০ দিন বাহিনী থাকার প্রয়োজন রয়েছে কারণ বাংলার মানুষের মনে ভয় আছে।কোর্ট আগেই বলেছে বাহিনী থাকবে। তাই আছে।
ব্যালট গায়েব সহ একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বিডিও দের মদতে ঘটেছে। স্ট্রং রুম পাবলিক পাহারা দিচ্ছে।
হিংসা তৃণমূলকে বন্ধ করতে হবে। গোটা রাজ্য চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে। আর এ তো সামান্য কিছু ব্যালট। তিনি আরও বলেছেন, বিচারপতি ন্যায্য কথা বলেছেন। সত্যিই অনেক টাকা। হিসেব নেই। কেউ শাস্তি পায়না। জানে, একবার জিতে যাও। ৫ বছর লুঠ চালাও।












Click it and Unblock the Notifications