জিয়াগঞ্জ-কাণ্ডে দায় নিতে হবে মমতাকেই! রক্তাক্ত দুর্গাপুজো-তোপে বিঁধলেন দিলীপ
জিয়াগঞ্জে শিক্ষক ও শিক্ষকের পুরো পরিবারকে নৃশংস খুনের ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই আঙুল তুললেন দিলীপ ঘোষ।
জিয়াগঞ্জে শিক্ষক ও শিক্ষকের পুরো পরিবারকে নৃশংস খুনের ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই আঙুল তুললেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, পুজোর মধ্যে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ, নদিয়ার চাপড়া ও শান্তিপুরে মোট তিনজন দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন। জিয়াগঞ্জের ঘটনায় শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। এর দায় নিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকেই।

দিলীপ ঘোষ বলেন, এমন রক্তাক্ত দুর্গাপুজো আগে কখনও দেখেনি মানুষ। ভবিষ্যতেও যাতে আর দেখতে না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে আমাদেরই। তিনি বলেন, গান্ধীমূর্তির পাদদেশ ধরনা বসেছি, কারণ একটার পর একটা মায়ের কোল খালি হয়ে যাচ্ছে বাংলায়। মুখ্যমন্ত্রী কোনও ঘটনার জন্যই দুঃখপ্রকাশ পর্যন্ত করেননি।
এদিন শাসক দলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, আজ একটা ডেমো দিলাম। শান্তিপূর্ণভাবেই আমাদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। আমাদের নবান্নে পৌঁছতে বেশি সময় লাগবে না। প্রয়োজনে হাওড়া-কলকাতা আলাদা করে দেব। বিজেপি সেই ক্ষমতা রাখে।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পালের পরিবারের নির্মম হত্যার ঘটনায় কারা জড়িত, তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তিনি আরএসএস করতেন বলে দাবি বিজেপি ও আরএসএস নেতাদের। আবার পরিবারের দাবি, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন না।
এদিন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ধরনায় বসে বিজেপি। সেই ধরনা-মঞ্চ থেকেই দিলীপ ঘোষ তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার রাজ্যে খুনের রাজনীতি করছে। হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করে খুনের রাজনীতি কায়েম করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications