‘মা’ নয়, ‘দিদি’ বা ‘পিসি’ ডাকুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, পরামর্শ দিলীপের
যিনিই মুখ্যমন্ত্রীকে মা বলে সম্বোধন করেন, তিনিই বিপাকে পড়েন। তাই এখন থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে শুধু ‘দিদি’ বা ‘পিসি’ বলেই ডাকবেন, ‘মা’ নয়।
'মুখ্যমন্ত্রীকে আর কেউ 'মা' বলে ডাকবেন না। তাহলেই ঘোর বিপদ।' উত্তর দিনাজপুরে রায়গঞ্জের বিজেপির জনজাগরণ সভার মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, 'যিনিই মুখ্যমন্ত্রীকে মা বলে সম্বোধন করেন, তিনিই বিপাকে পড়েন। তাই এখন থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে শুধু 'দিদি' বা 'পিসি' বলেই ডাকবেন, 'মা' নয়।'
দিলীপ ঘোষ বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'মা' বলে সম্বোধন করলে বিমল গুরুং বা ভারতী ঘোষের মতো অবস্থা হবে।

একজন মুখ্যমন্ত্রীকে 'মা' ডেকে দেশছাড়া হয়ে গিয়েছেন। আর একজন মুখ্যমন্ত্রীকে 'মা' সম্বোধন করে চাকরিছাড়া হয়ে গেলেন। তাই এখন থেকে ভুলেও 'মা' না ডেকে 'দিদি' বা 'পিসি' বলে ডাকাই শ্রেয় আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে।'
উল্লেখ্য, পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সরকারি সভায় পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে 'জঙ্গমমহলের মা' বলে সম্বোধন করেন। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। তাঁর পুলিশ অফিসারের থেকে তৃণমূল নেত্রী হিসেবে প্রকাশটাই বড় হয়ে দেখা দেয়। তারপর জিজেএম 'সুপ্রিমো' বিমল গুরুংও মুখ্যমন্ত্রীকে 'মা' বলে ডেকেছিলেন। দার্জিলিং সমস্যার সমাধানের পর বিমল গুরুং জিটিএ-র দায়িত্ব নিয়ে এই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন।
দিলীপ ঘোষ বলেন, এখন সারা বাংলা জানে বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কোন তিক্ততায় পৌঁছেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিমল গুরুংয়ের সম্পর্ক তো জোড়া লাগেইনি, তারপর উভয়ের তিক্ততার জেরে পাহাড় জ্বলতে শুরু করেছে। এখন বিমল গুরুং পাহাড় ছাড়া। আর একইভাবে ভারতী ঘোষের সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক তিক্ততার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে, যা আর জোড়া লাগার নয়। সেই কারণেই 'দিদি' উদ্যোগ নেননি ভারতী ঘোষের মানভঞ্জনের।
এদিন দিলীপ ঘোষের আরও কটাক্ষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা আর কেউ শুনছেন না। বিমল গুরুং শোনেননি, শোনেননি তাঁর একান্ত অনুগত অনুব্রত মণ্ডলও। তিনি যেমন ছিলেন, তেমনই আছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সতর্ক করার পরও একইভাবে বাজে কথা বলে চলেছেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর কথা শুনলেন না পুলিশও।












Click it and Unblock the Notifications