ক্ষমতায় শিখণ্ডীরা, সিএএ বিরোধীদের মোকাবিলায় রাজ্যের কাজ নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের
লোকসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে শিখণ্ডী বললেন দিলীপ ঘোষ। সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
লোকসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে শিখণ্ডী বললেন দিলীপ ঘোষ। সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন রাজ্যে নরেন্দ্র মোদীকে গোব্যাক বলা হলেও, কেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গোব্যাক বলা হচ্ছে না।

সিএএ বিরোধী বিক্ষোভকে আক্রমণ
লোকসভা রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্যবাদ দিতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ সিএএ বিরোধী বিক্ষোভকে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে তিনি উল্লেখ করেন দিল্লির শাহিনবাগর কথা। বিক্ষোভকারীদের বিদেশের টাকায় বিদেশি বিরিয়ানি খাওয়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সিএএ বিরোধী আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গে গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ।

'রাজ্যে ক্ষমতায় শিখণ্ডীরা'
দিলীপ ঘোষ বলেন, দুর্ভাগ্যবশত রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে শিখণ্ডীরা। পুলিশও কিছু করছে না। লাঠি চালানো দূরের কথা, এফআইআরও দায়ের করছে না তারা। এই অবস্থার প্রতিবাদ তিনি করছেন বলেও জানান। দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি দেশপ্রেমিক।

মহাভারতে শিখণ্ডী
মহাভারতে শিখণ্ডী একজন তৃতীয় লিঙ্গের যোদ্ধা ছিলেন। ভীষ্মকে মারতে তাঁকে মানব প্রাচীর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে অসম, উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যে সিএএ বিক্ষোভকারীদের কুকুরের মতো গুলি করে মারার প্রসঙ্গও।

রোহিঙ্গাদের কেন গোব্যাক নয়, প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের
দিলীপ ঘোষ এদিন লোকসভায় রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এঁদেরকে তৃণমূল গোব্যাক স্লোগান দিচ্ছে না। কেননা তারা রাজ্যের শাসকদলের ভোটব্যাঙ্ক। দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে যাদের জন সমর্থন নেই তাদের সভা করতে দেওয়া হলেও, তাঁদের তা করতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ঘোরে কো না মিলে ঘাস, গাধা খা রাহা হ্যায় চবণপ্রাশ।
দিলীপ ঘোষ এদিন লোকসভায় রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপালকে গো ব্যাক স্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ প্রতিবেশী দেশ চায় না আমাদের রাজ্য সুরক্ষিত থাকুক। প্রসঙ্গত সাম্প্রতিক সময়ে গত মাসে প্রধানমন্ত্রী কলকাতা সফরের সময়, তাঁকে কালো পতাকা দেখানো এবং গোব্যাক স্লোগান দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যদিও হেলিকপ্টার এবং জলপথ ব্যবহারের কারণে তা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে গো ব্যাক স্লোগানের জেরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দিতে পারেননি রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications