Dhupguri By-Election: ধূপগুড়িতে এবার সাগরদিঘি মডেল! 'উল্টো পথে' সমর্থন, তৈরি কংগ্রেস
সাগরদিঘি মডেলে রাজ্যে সাফল্য পেয়েছিল বাম-কংগ্রেস জোট। তারপর বায়রণ বিশ্বাস কংগ্রেস ছেড়েছেন। ভোট বিশ্লেষকরা বলছেন, তাতে ব্যর্থ হয়নি বাম-কংগ্রেস জোট। কংগ্রেস প্রার্থী বায়রণ বিশ্বাসকে জেতাতে কাধে কাধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন স্থানীয় থেকে রাজ্যস্তরের সিপিআইএম নেতা কর্মীরা। এবার সেই কাজ করার প্রস্তুতি কংগ্রেসে।
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ধূপগুড়িতে ভোটের দিন ঘোষণা করে দিয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর ভোট নেওয়া হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে সাগরদিঘি মডেল দেখা যেতে পারে ধূপগুড়ির উপনির্বাচনেও। তবে এখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে দেখা যেতে পারে সিপিআইএম প্রার্থীকে।

সাগরদিঘিতে জয়ের পরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সিপিআইএমের সাহায্যের কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। আর এবার সেই ঋণ মেটানোর পালা। জাতীয় স্তরে INDIA নিয়ে যাই হোক না কেন, রাজ্য পর্যায়ে উপ নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই দল বার্তা দিতে চায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে রয়েছে বাম-কংগ্রেস।
তবে সাগরদিঘি নিয়ে অধীর চৌধুরী যেমন সিপিআইএম এবং বামফ্রন্টের কাছে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তেমন কোনও আহ্বান এখনও বামফ্রন্ট কিংবা সিপিআইএম-এর তরফে কংগ্রেসের কাছে জানানো হয়নি। বৃহস্পতিবার বামফ্রন্টের বৈঠকে বাম-শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব অধীর চৌধুরীর কাছে পাঠানো হবে বলে সূত্রের খবর।
এব্যাপারে অধীর চৌধুরী ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন, ধূপগুড়িতে বামপ্রার্থীকে সমর্থনে তাদের কোনও আপত্তি নেই। তাঁকে বললে তিনিও ধূপগুড়িতে গিয়ে বাম প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করবেন বলে জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাদের লড়াইও যে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে তাও স্পষ্ট জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয়া জোটের নামকরণ থেকে গঠন পর্যায়ে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত থাকলেও, তিনি ভাল করেই জানেন, রাজ্যে কোনওভাবেই এই জোট কাজ করবে নায যে কারণে তাঁর মুখে সেই আগেকার জগাই-মাধাই আর গদাইয়ের তত্ত্ব। তিনি কার্যত ইন্ডিয়া জোটকে রাজ্যে বিজেন্ডিয়া বলে কটাক্ষ করে বসে আছেন।
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলায় তাদের লড়াই সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও। অন্যদিকে সিপিআইএমও নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের।
সিপিআইএমের প্রস্তুতি নেওয়া থাকলেও ধূপগুড়ির পরিস্থিতি মোটেও সাগরদিঘির মতো নয়। উত্তরবঙ্গে কংগ্রেস অনেকদিন থেকে ভঙ্গুর হলেও সরকারের থাকার সময় সেখানে বামেদের শক্তিশালী সংগঠন ছিল। এখন সেখানে বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূলের জোরদার সংগঠন রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন ক্ষমতা হারানো বছর অর্থাৎ ২০১১-তেও সিপিআইএমের দখলে ছিল ধূপগুড়ি। ২০১৬-তে বড় ব্যবধানে সেখানে জয়ী হয় তৃণমূল। আবার ২০২১-এ সেখানে জিতে যায় বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications