মাহেশের মন্দিরে ভক্তের ঢল, কত বছর বয়স হল লোহার রথের?
সকাল থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে মাহেশ এলাকায়। মাহেশের রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম রথযাত্রা। হুগলির মাহেশের মন্দিরের বাইরে অগণিত ভক্তের ঢল। পুরীর পর দেশের প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে পরিচিত হুগলির এই মাহেশ।
এর আগে স্নানযাত্রার দিনেও প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছিল মাহেশে। দূর দূরান্ত থেকে মাহেশের মন্দিরে আসেন ভক্তরা। এবারও রেকর্ড ভিড় হবে মাহেশে। অতীতের ভক্ত সমাগমের সব রেকর্ড ভেঙে যাবে এবার। সেই কথা অনুমান করছেন মন্দির কমিটির লোকজন ও পুজারী।

স্বপ্নাদেশ এসেছিল মাহেশের জগন্নাথ দেবের পুজোর। নিমকাঠ দিয়ে তৈরি জগন্নাথ দেব, বলরাম, শুভদ্রার বিগ্রহ। এই নিম কাঠ দিয়ে মূর্তি তৈরির বিষয়টিও স্বপ্নাদেশে পাওয়া যায়। এই কথাই জানা গিয়েছে। ছয় শতকের বেশি সময় ধরে এই নিম কাঠের বিগ্রহই পুজিত হয়ে আসছে মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরে।
খিচুড়ি, অন্ন, পায়েস এই তিন প্রসাদ দেওয়া হয় মাহেশে। পুরীর পর দেশের প্রাচীন রথযাত্রা হুগলির শ্রীরামপুরের মাহেশ রথযাত্রা।
এই বছর মাহেশের রথযাত্রা ৬২৮ তম বছরে পড়ল। মার্টিন বার্ন কোম্পানির তৈরি লোহার রথ এবারও রাস্তায় নামবে। সেই লোহার রথের বয়স ১৩৮ বছর। মাহেশে আগে ছিল কাঠের রথ। বর্তমানে এই রথের দেখভাল করেন কলকাতা শ্যামবাজারের বসু পরিবার।
ন'টি চূড়া রয়েছে এই রথে। জগন্নাথ দেবের এই রথের উচ্চতা ৫০ ফুট। রথে লোহার ১২ টি চাকা রয়েছে। পুরীর পর ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম রথযাত্রা মাহেশের রথযাত্রা। রথযাত্রায় জগন্নাথ মন্দিরের পাশে স্থানপিঁড়ির মাঠে বসেছে মেলা। সকাল থেকে চলছে পুজো পাঠ। ভক্তরা ভিড় জমিয়েছেন জগন্নাথ মন্দিরে।
ভোররাত থেকে ভক্তরা মাহেশের মন্দিরে উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকেই চলছে পুজোর প্রস্তুতি। বিকেলে রথযাত্রা হবে। সেজন্য প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। এই কথা অনুমান করা হচ্ছে। ফলে কোনও ঝুটঝামেলা এড়াতে প্রশাসন সব সময় সতর্ক রয়েছে। এই কথাও জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications