পূর্ব রেলের প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বরের পুরনো জলাধার ভাঙার কাজ শুরু
আসানসোল হাওড়া সহ বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে কিংবা প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো লৌহ নির্মিত জলাধারগুলিকে ভেঙে ফেলা, অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। ইতিমধ্যে পূর্ব রেলের বিভিন্ন ডিভিশনে থাকা জলাধারগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পূর্ব রেলের এই সিদ্ধান্ত ।
প্রথম ধাপে, পূর্ব রেলের স্টেশনগুলিতে প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলিকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হচ্ছে।পানীয় জল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নতুন করে অন্যত্র জলাধার নির্মাণ হবে।

পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি চিহ্নিত করে ভাঙা হবে। সিমেন্ট-কংক্রিট নির্মিত জলাধারগুলির মধ্যে যেগুলির পরিস্থিতি খারাপ, সংস্কারের দরকার রয়েছে সেগুলি সংস্কার করা হবে। ৬০ বছরের পুরনো জলাধার ভেঙে ফেলা হবে।
পূর্ব রেলের ৪ টি ডিভিশনের মোট ১২ টি পুরনো জলাধারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো ভেঙে ফেলা হবে। এই কাজ ইতিমধ্যে শুরুও হল। হাওড়া ডিভিশনে ৩ টি , আসানসোল ডিভিশনে ৮ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে একটি জলাধার রয়েছে।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্টেশন চত্বরে থাকা জলাধারগুলিও ভেঙে ফেলার কাজ শেষ করা যাবে। এই কাজ চলাকালীন যাত্রী পরিষেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়। তার জন্য সচেষ্ট থাকবে পূর্ব রেল।
পূর্ব রেলের বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই এমন ৪৮ টি জলধার চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে রয়েছে ৭ টি, আসানসোল ডিভিশনে রয়েছে ২৩ টি , হাওড়া ডিভিশনে রয়েছে ১৪ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে ৪ টি । এই কাজগুলি আগামী এক বছরের মধ্যে শেষের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বর্ধমান স্টেশনে শতাব্দী প্রাচীন জলাধার ভেঙে পড়েছিল। মারা গিয়েছিলেন চার জন। এরপরেই এই জলের ট্যাঙ্কগুলির পরিকাঠামো সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল। পূর্ব রেল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ট্যাঙ্কগুলির স্বাস্থ্য পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা।












Click it and Unblock the Notifications