তীব্র দাবদাহে দার্জিলিং-এ বেড়েছে এসির চাহিদা! যোগান দিতে হিমসিম বিক্রেতারা
দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির কাছে, তা কেউ ভাবতেই পারছেন না। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণেই সক্ষম জেলাবাসীরা ছুটছেন এসি কিনতে। তবে তা সামাল দিয়ে উঠতে পারছেন না বিক্রেতারা। শিলিগুড়ি-সহ দার্জিলিং-এর বিভিন্ন জায়গায় একই চিত্র।
প্রতিবাদের মতো এবারেই গরমে বেশ কিছু মানুষ। গিয়েছিলেন দার্জিলিং-এ, বেড়াতে। কিন্তু তারা তাড়াতাড়ি সমতলে নামতে বাধ্য হয়েছেন সেখানেও তীব্র দাবদাহের কারণে। আর পাহাড়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে সমতলের বাসিন্দাদের খুব একটা তফাত কিছু নেই।

হাসফাঁস গরমের হাত থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে পাহাড়ে গিয়েও গরমের হাত থেকে নিস্তার নেই কারও। মূলত শহর শিলিগুড়ি হয়ে পাহাড়ে যেতে হয়। একটা সময় শিলিগুড়িতে গরম এতটা তীব্র ছিল না। গ্রীষ্মে ফ্যান লাগানোর তেমন একটা প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে গরমের প্রকোপ বাড়ছে। বর্তমানে তা যেন কলকাতাকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে।
বেশ কয়েকদিন ধরেই গোটা রাজ্যের সঙ্গে দাহদাহে নাজেহাল শিলিগুড়িবাসী। দিনের আলোয় এখন যেন লু বইছে শহরে। তাই নেহাৎ প্রয়োজন না পড়লে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকছেন মানুষজন। তবে ঘরে থেকেও গরম ফ্যানের হাওয়ায় স্বস্তি মিলছে না। তাই বেশিরভাগ মানুষই এসি কেনার দিকে ঝুঁকছেন।

এসি কিনতে তাই দেখা গেল দোকানে ভিড়। এসি বিক্রেতাদের মতে এসির চাহিদা এ বছর প্রচুর বেড়েছে। এসির যোগান দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে দোকানদারদের। এসি কিনলেও দুদিন ইনস্টলেশনের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
শিলিগুড়ি শহরের চেনা ছবিটা ধীরে ধীরে উধাও হয়ে যাচ্ছে। গত বছরও শিলিগুড়িতে দুদিন গরম পড়লেও তৃতীয়দিন স্বস্তির বৃষ্টি হতেই দাবদাহ অনেকটাই কমে যেত। কিন্তু বিগত প্রায় ১৫ দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টির দেখা নেই। বৃষ্টি হলেও তা দু এক পশলা তাতে ভ্যাপসা গরম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আবহাওয়া দফতরের (Weather News) দার্জিলিং (Darjeeling) -এ স্টেশন রয়েছে তিনটি। এর মধ্যে দার্জিলিং-এ বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪.৬ (+৪.৬) ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়িতে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বাগডোগরাতেও (Bagdogra) ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখবর বুধবারই প্রকাশ হয়েছিল ওয়ান ইন্ডিয়া বেঙ্গলিতে।












Click it and Unblock the Notifications