মাধ্যমিকের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী উচ্চমাধ্যমিকেও ‘দ্বিতীয়’, কী ছিল তার এই সাফল্যের মূলে
মাধ্যমিকের মতো উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলেও উজ্জ্বল হয়ে রইল হুগলির চুঁচুড়ার দেবদত্তা পাল। চুঁচুড়ার ঘুঁটিয়াবাজার বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী দেবদত্তা উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকা ষষ্ঠ স্থান লাভ করেছে।
মাধ্যমিকের মতো উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলেও উজ্জ্বল হয়ে রইল হুগলির চুঁচুড়ার দেবদত্তা পাল। চুঁচুড়ার ঘুঁটিয়াবাজার বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী দেবদত্তা উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকা ষষ্ঠ স্থান লাভ করেছে। মেয়েদের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে সে। একইভাবে মাধ্যমিকেও দ্বিতীয় হয়েছিল দেবদত্তা। এদিন সে জানাল তাঁর এই সাফল্য ধরে রাখার পিছনে মূল চাবিকিঠি কী ছিল।

চুঁচুড়ার রামকৃষ্ণ লেনের বাসিন্দা দেবদত্তার বাবা ব্যাঙ্ককর্মী। আর মা পেশায় নার্স। কাজের চাপ থাকায় মা-বাবা সেভাবে দেবদত্তার পাশে থাকতে পারতেন না। তবু অদম্য ইচ্ছাশক্তির জেরে সে মাধ্যমিকের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকেও ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করায় তার উপর একটা প্রত্যাশা তৈরি হয়েই ছিল। সেই প্রত্যাশাপূরণে সমর্থ হল দেবদত্তা। এবার সে ডাক্তার হতে চায়।
দেবদত্তা এই সাফল্যের পর জানাল, পরীক্ষার তিন মাস আগে তিনি পড়াশোনায় আরও জোর বাড়িয়ে দিয়েছিল। তার ফলই সে পেয়েছে আজ। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায় দেবদত্তা। তবে শুধু পড়াশোনা নিয়েই নয়, অবসর সময়ে গানও করে দেবদত্তা। সে মনে করে, পড়ার ফাঁকে ফাঁকে অন্য কিছু করতে অনেক মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।
এদিন দেবদত্তা তাঁর সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে জানায় মানসিক লড়াইয়ের কথাও। মাধ্যমিকে ভালো ফল করার পর নানা দিক থেকে অনেক প্রতিকূলতাও এসেছিল। দেবদত্তা জানায়, টেস্ট পরীক্ষার সময় মা ছুটি চেয়েও পায়নি। আর উচ্চমাধ্যমিকের সময় ছুটি নেওয়ায় মাকে এখন অনেক বেশি নাইট করতে হয় চাকরিতে। আজকের দিনেও বাবাকে ছুটি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে একটু নমনীয় হওয়া জরুরি বলে মনে করে সে।












Click it and Unblock the Notifications