পরিবারকে অন্ধকারে রেখেই কোভিড নেগেটিভ বাবার দেহ সৎকার, অভিযোগ মেয়ের
বাবার দেহ দাহ হয়ে গেল মেয়ে ও পরিবারের অজান্তে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এক আধিকারিকের। মেয়ের দাবি, কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট থাকা সত্বেও তাদের গোপনে রেখে এই অমানবিক কাজ করেছে দুর্গাপুর নগর নিগম।
বাবার দেহ দাহ হয়ে গেল মেয়ে ও পরিবারের অজান্তে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এক আধিকারিকের। মেয়ের দাবি, কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট থাকা সত্বেও তাদের গোপনে রেখে এই অমানবিক কাজ করেছে দুর্গাপুর নগর নিগম।

গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ দুর্গাপুর থানা এলাকার মায়াবাজার এলাকার বাসিন্দা শম্ভু সিং(৫৬) মারা যান। করোনা উপসর্গ থাকায় ওই দিনই সকালে তার অ্যান্টিবডি পরীক্ষা হয়। মৃত্যুর পর স্থানীয় ডিটিপিএস ফাঁড়িতে জানানোর পর পুলিশ মৃতদেহের সংস্পর্শে আসতে নিষেধ করে ফিরে যায়।
পরদিন দুপুরে দুর্গাপুর নগর নিগমের অ্যাম্বুলেন্স এসে দেহ নিয়ে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা মেইন হাসপাতালের মর্গে রেখে দেয়। মৃতের মেয়ে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিক অনু সিং জোর করে তাদের সঙ্গে আসেন। দেহ মর্গে রাখার পর মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজনীয় নথিও জমা করেন ডিএসপি হাসপাতালে।
এরপর থেকেই করোনা রিপোর্ট নিয়ে তদ্বির শুরু করে পরিবার। মৃতের মেয়ে অনু সিংয়ের অভিযোগ, পুলিশও জানায় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এরপর দেহ আনতে উদ্যোত হলে শনিবার বিকেলে থানা থেকেই জানানো হয় শুক্রবার রাতেই দুর্গাপুর নগর নিগমের উদ্যোগে তাদের না জানিয়ে শম্ভু সিংয়ের দেহ দাহ করা হয়ে গিয়েছে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে পরিবার।
অনু সিংয়ের প্রশ্ন,"আমাদের না জানিয়ে কেনো দাহ করা হলো দেহ। করোনা রিপোর্ট হাতে আসার আগেই কেনো সৎকার করা হলো? দুর্গাপুর নগর নিগম এই অমানবিক কাজ করলো কিভাবে?" এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য পড়ে যায়। শনিবার রাতেই ডিটিপিএস ফাঁড়ির সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ।












Click it and Unblock the Notifications