বিমল গুরুংয়ের শক্তি প্রদর্শন, পাহাড়ে উঠল না বনধ, রাস্তায় নেমে গুরুং সমর্থকদের মিছিল
এদিন শুক্রবার সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছে বিমল গুরুংয়ের অনুগামীরা। স্লোগান দিতে দিতে মিছিল করে পাহাড়ের রাস্তা স্তব্ধ করে রেখেছে বনধ সমর্থকেরা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হলে তিনি পাহাড়ের মুখ্যমন্ত্রী। সাম্প্রতিক অতীতে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে দাবি-দাওয়া আদায় করতে গিয়ে এমনই দাবি করেছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্টা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। আর ক্ষমতা যে তাঁর রয়েছে তা এবার হাড়ে হাড়ে বোঝাতে কসুর করছেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার মোর্চা আহ্বায়ক বিনয় তামাং কালিম্পংয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বনধ স্থগিতের ঘোষণা করেন। জানান, গোর্খাল্যান্ড নিয়ে সুষ্ঠু আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে আপাতত ১২ তারিখ পর্যন্ত বনধ তুলে নেওয়া হল। সেদিন বৈঠকের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

যদিও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত নন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। বিনয়ের ঘোষণার পরই বিমল গুরুং জানিয়েছিলেন, পাহাড়ে বনধ চলবে। সেই অনুযায়ী এদিন শুক্রবার সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েছে বিমল গুরুংয়ের অনুগামীরা।
স্লোগান দিতে দিতে মিছিল করে পাহাড়ের রাস্তা স্তব্ধ করে রেখেছে বনধ সমর্থকেরা। ফলে ঘোষণার পরও পাহাড়ে বনধ ওঠেনি। দোকানপাট বন্ধ, রাস্তাঘাট একেবারে শুনশান, চলছে না গাড়িঘোড়াও।

পাহাড়ের নেতৃত্ব এখন কার্যত দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত। একদিকে রয়েছেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরিরা। অন্যদিকে রয়েছে বিনয় তামাংয়ের নেতৃত্বে মোর্চা নেতা-কর্মী, সঙ্গে জিএনএলএফ ও জাপ নেতা-কর্মীরা। ফলে দুপক্ষের লড়াইয়ে ফের পাহাড় সরগরম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications