দুর্যোগের সময় কেন্দ্র রাজ্য সংঘাত নয়! শুক্রেই আকাশপথে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলিতে যাবেন মমতা

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জেরে সমুদ্রের জলস্তর এতটাই বেড়েছে যে একের পর এক নদী বাঁধ ভেঙে গ্রামে ঢুকছে জল। কাকদ্বীপ-সাগরসহ দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। একের পর এক নদী বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে পড়েছে কাকদ্বীপ, নামখানা,

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জেরে সমুদ্রের জলস্তর এতটাই বেড়েছে যে একের পর এক নদী বাঁধ ভেঙে গ্রামে ঢুকছে জল। কাকদ্বীপ-সাগরসহ দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। একের পর এক নদী বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে পড়েছে কাকদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, সাগরদ্বীপ, বকখালি, হিঙ্গলগঞ্জের গ্রামে।

তবে আর বড় বিপদের আশঙ্কা আর নেই। তবে জোয়ারের জন্যে নতুন করে কলকাতার নিচু তলার অঞ্চলগুলিতে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। সে বিষয়ে মানুষকে সতর্ক থাকতে বললেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

শুক্রবার পরিদর্শনে মমতা

শুক্রবার পরিদর্শনে মমতা

গত ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে নবান্নে কাটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি মুহূর্তে কন্ট্রোল রুমে নজর রেখেছেন। রাজ্যের পরিস্থিতি কি তা নিয়ে দফায় দফায় রাতে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। তবে দুর্যোগ কেটে যেতেই বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ঠিক হলেই সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকাতে যাবেন তিনি। যদিও আগামীকাল বৃহস্পতিবারই পরিদর্শনে যাবেন বলে ভেবেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু তাঁর কাছে খবর রয়েছে বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হবে। তাই হেলিকপ্টারে যেতে পারবেন না। শুক্রবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলি পরিদর্শনে যাবেন তিনি। নবান্নে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

১ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

১ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ কোটি মানুষ। নবান্নে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেণ, প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বাঁচানো গিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে কার্যত যুদ্ধকালীন ততপ্রতায় মানূষকে সরানোর কাজ করা হচ্ছিল। কেন্দ্র এবং রাজ্যের এজেন্সিগুলি একসঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীও উদ্ধারকাজে নামে। সবার প্রচেষ্টার ফলেই ব্যাপক অংশে মৃত্যু ঠেকানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে একজনের মৃত্যুর খবরও জানিয়েছেন মমতা। তবে সেটা 'অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ' বা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে্ উল্লেখ করেছেন তিনি।

বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে টাস্কফোর্স গঠন

বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে টাস্কফোর্স গঠন

জলেরত তোড়ে একের পর এক বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। কাকদ্বীপ, নামখানা সহ একাধিক এলাকাতে ভয়ঙ্কর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর উপর ভরা জোয়ার। তাতে নদীর জল আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। এমনকি জলস্তর আরও বাড়লে আরও বেশ কয়েকটি বাধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেণ, রাজ্যে ১৩৪টি নদী বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়-বৃষ্টিতে। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশগকা। এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেণ, মেরামতিতে কেন্দ্র সাহায্য করে না, জানালেন মমতা। বললেন, ''বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করছে রাজ্য সরকার।'' সেচ দফতরকেও জলাধারে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে কেন্দ্র রাজ্য সঙ্ঘাত নয়

প্রাকৃতিক দুর্যোগে কেন্দ্র রাজ্য সঙ্ঘাত নয়

নবান্নে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ''প্রাকৃতিক দুর্যোগে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে সঙ্ঘাতকে গুরুত্ব দেব না।'' তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন্দ্রের তরফে তাঁকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফোন করেছিলেন কি না। জবাবে মমতা বলেন, ''দুর্যোগের সময় সবাই মিলে কাজ করতে হয়। তাই করছি। সঙ্ঘাতকে গুরুত্ব দেব না। ''

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+