ঘূর্ণিঝড় মন্থা দুর্বল, তবুও রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির আশঙ্কা, জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার আপডেট
অন্ধ্র উপকূলে শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ার পর রাত পোহাতেই প্রবল ঘূর্ণিঝড় মন্থা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। বুধবার ভোর থেকেই তার প্রভাব সরাসরি না থাকলেও পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে রাজ্যে। আকাশ মেঘলা, সঙ্গে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শক্তি ক্ষয় হলেও মন্থা এখনও পুরোপুরি থামেনি। ফলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আজও ঝিরঝিরে থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়ছে।
সমুদ্র এখনও অশান্ত, ভাঁজ তুলছে ঢেউ। তাই ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ বহাল রয়েছে। আজ বুধবার বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দিনের শুরু থেকেই আকাশে ঘন মেঘের ছাপ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায়। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩১ ডিগ্রি, সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে।

আজ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩০ থেকে ৩১ অক্টোবর পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি এই দুদিন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে ১ থেকে ২ নভেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা বৃষ্টি কমবে,
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির জোর দক্ষিণের তুলনায় বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। পাহাড় থেকে তরাই সব অঞ্চলে ভিজে যাবে দিনের আলো।
মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৩২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।
সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ৩.৪ ডিগ্রি বেশি।
বাতাসে আর্দ্রতা ৫৭ শতাংশ থেকে ৯২ শতাংশ, ফলে ভ্যাপসা অস্বস্তিও থাকবে।
তবে, ঘূর্ণিঝড় মন্থা দুর্বল হলেও, তার প্রভাব শেষ হয়নি। দক্ষিণে মাঝারি বৃষ্টি, আর উত্তরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।












Click it and Unblock the Notifications