Cyclone Mocha: আবারও সেই মে, আম্ফানের স্মৃতি ফিরে আসবে না তো? তৎপর নবান্ন
আবারও সেই মে মাস। আরও একটা ঘূর্ণিঝড়। আম্ফানের স্মৃতি উস্কে দিল ঘূর্ণিঝড় মোখার আগমন বার্তা। গতকালই আইএমডির পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ। যার নাম মোখা। সেটি ধেয়ে আসছে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে।
আইএমডির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের জন্য কোনও উদ্বেগের খবর শোনায়নি। তবে একেবারেই বিপদমুক্ত রাজ্য এমন বলা যায় না। প্রকৃতির খেয়াল কেউ বলতে পারে না। যেমনটা বলা যায়নি আম্ফানের সময়। ২০২০ সালে মে মাসেই সেই ভয়াভয় ঘুর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছিল কলকাতার বুকে।

২০২০ সাল করোনা তখন মধ্য গগণে তার মাঝেই ভয়াবহ দুর্যোগ। একদিকে বজায় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব বিধি আরেক দিকে উদ্ধারকাজ। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেসময়। আর আম্ফান পুরো আছড়ে পড়েছিল কলকাতায়। দুই ২৪ পরগনা, কলকাতায় তাণ্ডব চালিয়েছিল আম্ফান। ঘণ্টায় ১৭৬ কিলোমিটার বেগে কলকাতায় আছড়ে পড়েছিল এই আম্ফান।
২০১৫ সালের পর আম্ফানই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যেটি আছড়ে পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ উপকূলে। ঝড়ের দাপটে লন্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল কলকাতা শহর। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় তিনদিন পড়েছিল শহর। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কলকাতা শহরের। রাস্তার ধারে অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল সুন্দরবন এবং উত্তর ২৩ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা।

আবারও আসছে সেই ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে ৬ তারিখ থেকে শক্তি বাড়াতে শুরু করবে ঘূর্ণাবর্তটি। ধীরে ধীরে সেটি শক্তিশালি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। বঙ্গোপসাগরের উত্তর পূর্ব উপকূলে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছে আইএমডি। আর উত্তর পূর্ব উপকূলের মধ্যেই পড়ে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা।

ওড়িশা আগে থেকেই সতর্কতা জারি করে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নবীন পটনায়েক বৈঠক করেছেন উচ্চ পদস্থ সরকারি আধধিকারীকদের সঙ্গে। বিপর্যয় মোকাবিলা দলগুলিতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এনডিআরএফকেও প্রস্তুত রেখেছে ওড়িশা সরকার। উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করা হয়েছে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গেও নবান্নে তৎপর হয়ে উঠেছে। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রি সভার বৈঠকে েই নিয়ে কথা বলেছেন। তারপরেই মুখ্যসচিব উপকূলবর্তী জেলার জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভার্চুয়ালি। উপকূলবর্তী দুই ২৪ পরগনা জেলার বাঁধগুলির অবস্থা নিয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সেগুলির অবস্থা কেমন তা জানতে চাওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications