ঘূর্ণিঝড় মোখার পরোক্ষ প্রভাবে পাল্লা কলকাতা-শিলিগুড়ির! একনজরে বাংলার জেলাগুলির আবহাওয়া
সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও, দিনটা যে অস্বস্তির হতে চলেছে, তা পরিষ্কার। দুটি জেলাকে বাদ দিয়ে আগামী ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। আগামী তিন দিন এই আবহাওয়াই বর্তমান থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়া দফতরের তরফে মৎস্যজীবীদের উদ্দেশে লাল সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার উপকূলে ঘূর্ণিঝড়জনিত কারণে তাঁরা যেন ১২ থেকে ১৪ মের মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে না যান। আর যারা গভীর সমুদ্রে গিয়েছেন, তাঁরা যেন ১১ মে-র মধ্যে ফেরত আসেন।

বুধবার সকালে দেওয়া আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১১ মে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। বাকি ছয় জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে।
পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ১২ মে শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তরবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির কোনওরকমের পূর্বাভাস নেই। আবহাওয়া শুকনো থাকবে। বিভিন্ন জায়গায় তাপজনিত কারণে অস্বস্তির আবহাওয়া বজায় থাকবে আরও অন্তত তিন দিন। তবে দিনের তাপমাত্রার তেমন বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
বুধবার সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ১২ মে শুক্রবার সকালের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির তেমন কোনও রকমের পূর্বাভাস নেই। আবহাওয়া মোটামুটি শুকনো থাকবে। দক্ষিণবঙ্দের বিভিন্ন জায়গায় তাপজনিত কারণে অস্বস্তির আবহাওয়া বজায় থাকবে আরও তিন দিন। এর মধ্যে দিনের তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না।

আবহাওয়া দফতর বুধবার সকালে জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টায় কলকাতা-সহ আশপাশের এলাকায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে যথাক্রমে ৩৮ ও ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় কলকাতা ও আশপাশ্রে এলাকায় গরম ও অস্বস্তির আবহাওয়া নিয়ে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।
এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা কমে হয়েছে ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার এই তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৮৪ শতাংশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বনিম্ন ২৯ শতাংশ।
ঘূর্ণিঝড় মোখার সরাসরি প্রভাব বংলার ওপরে না পড়লেও, তার পরোক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে শুঙ্ক আবহাওয়া। অন্যদিকে কলকাতার তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে শিলিগুড়ি। দুই জায়গাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সাড়ে আটত্রিশ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে।

উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ( ডিগ্রি সেলসিয়াস) একনজরে, ব্র্যাকেটে আগের দিনের তাপমাত্রা
আসানসোল (২৮)
বহরমপুর (২৮)
বাঁকুড়া (২৮.৪)
বর্ধমান (২৫.৮)
কোচবিহার (২৩.৭)
দার্জিলিং (১২.২)
কালিম্পং (১৫.৫)
দিঘা ( ২৭.৫)
কলকাতা (২৯.৫)
দমদম (২৯.৬)
কৃষ্ণনগর (২৬.৬)
মালদহ (২৯.১)
মেদিনীপুর (২৮.৩)
শিলিগুড়ি (২৭.১)
শ্রীনিকেতন (২৭)
সুন্দরবন ( ২৭.৫)
উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা( ডিগ্রি সেলসিয়াস), ব্র্যাকেটে আগের দিনের তাপমাত্রা
আসানসোল (৪১.৯)
বহরমপুর (৩৮.৬)
বাঁকুড়া (৪২.৮)
বর্ধমান (৪১)
কোচবিহার (৩৫.৬)
দার্জিলিং (২২.৮)
কালিম্পং (২৬.৪)
দিঘা (৩৬.২)
কলকাতা (৩৮.৯)
দমদম (৩৮.৯)
কৃষ্ণনগর ( ৩৯.৯)
মালদহ (৪০.৮)
মেদিনীপুর (৩৯.৭ )
শিলিগুড়ি (৩৮.৫)
শ্রীনিকেতন (৪১.৯)
সুন্দরবন ( ৩৪.৫)












Click it and Unblock the Notifications