Cyclone Mocha: তিন বছর পরে ফের ভরা গ্রীষ্মে আছড়ে পড়তে চলেছে আরও এক ঘূর্ণিঝড়
গত তিন বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে একের পর এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে। এবং তারা আছড়ে পড়ছে বঙ্গের উপকূলে। ২০১৯ সালে ফণী দাপট দেখিয়েছিল ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলা। ওড়িশাতেই মূলত ফণী দাপট দেখালেও তার লেজের ঝাপটায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা।
উপকূলবর্তী দিঘা, মন্দারমনি, শঙ্করপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একাধিক বাড়ি ঘর ভেসে গিয়েছিল। এমনকী অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়েছিল সেখানে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কয়েক মাস কেেট গিয়েছিল। তারপরে ২০২০ সালে হাজির হয় আম্ফান। সেটি সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিল।

পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে িগয়েছিল আম্ফান ঘূর্ণিঝড়। কলকাতা শহরের উপর দিয়েই উত্তর ২৪ পরগনা হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছিল সেই ঘূর্ণিঝড়। তার দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল গোটা শহর। একাধিক গাছ উপরে পড়েছিল। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল একাধিক জায়গা। এমনকী শয়ে শয়ে বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। লন্ডভণ্ড হয়ে িগয়েছিল গোটা শহর। এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল শহর।
তারপরে ২০২১ এবং ২২ সালে পর পর ২টি ঘূর্ণিঝড় ধাক্কা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূলে। ঠিক মে মাসেই এবং এই সময়ের মধ্যে। ২১ মে আছড়ে পড়েছিল আম্ফান। পরের দুটির ধাক্কাও এই সময়ের মধ্যেই তার পরে আবার একটি ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসছে। সেটির গতিমুখও পশ্চিমবঙ্গের দিকে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ৭ মে থেকে আন্দামান দ্বীপে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করবে এই এই ঘূর্ণিঝড়। ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা গভীর সমুদ্রে রয়েছেন তাঁদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত যা বলা হচ্ছে তাতে পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তার প্রভাব অবশ্য পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি জেলায়। তার জেরে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মনে করা হচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড় মায়ানমারের দিকে চলে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications