Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড়ের ল্যাজের ঝাপটায় ভাসবে দক্ষিণবঙ্গও, রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যে
আর মাত্র কয়েকটা ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরেই ল্যান্ডফল করবে ঘূর্ণিঝড়। তার আগে বৃষ্টির দাপট দেখাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোরের কাছে ল্যান্ডফল করার কথা সেটির। কিন্তু তার আঁচ এসে পৌঁছবে বঙ্গেও।
আবহাওয়া দফতর জানিেয়ছে আগামী দু দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হবে হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ। যদিও গতকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা। তার সঙ্গে বেড়েছে হাওয়ার দাপট। আজও পরিস্থিতি সেদিকেই। আগামী কাল অর্থাৎ ৬ এবং ৭ ডিসেম্বর কলকাতা এবং দক্ষিণের জেলাগুলিতে হালকা েথকে মাঝারি বর্ষণ চলবে।

ডিসেম্বরেও এবার শীত উধাও বঙ্গে। রাতের বেলাতেও ফ্যান চালাতে হচ্ছে। এর আগে কখনও ডিসেম্বরে এতোটা গরম থাকেনি। হালকা হলেও উলের জামাকাপড় পরতে হয়েছিল। এবার আর সেটা করতে হচ্ছে না। এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কোথাও তেমন শীতের কাঁপুনি দেখা যায়নি।
এই শীতের বাধা তৈরির জন্য দায়ী কিন্তু এই ঘূর্ণিঝড়ই। এমনই দাবি করেছেন আবহাওয়াবিদরা। এই ঘূর্ণিঝড় কেটে গেলেই নাকি শীতে ছোঁয়া লাগবে বঙ্গে। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত শীতের দেখা মিলবে না। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং হাওড়ায় বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের একাধিক জেলায় বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পরিস্থিতির দিকে সমানে নজর রেখে চলেছেন অবহাওয়াবিদরা। আজ অর্থাৎ ৫ ডিসেম্বর অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়টি। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।
গতকাল থেকে চেন্নাইয়ে কার্যত ধ্বংসলীলা চালিয়েছেন ঘূর্ণিঝড়। ইতিমধ্যেই ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সমুদ্র উঠে এসেছে চেন্নাইয়ের রাস্তায়। অসংখ্য মানুষ ঘরছাড়া। তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজে নেমেছে সেনা এবং নৌসেনা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলও কাজ করছে। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ িনয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।












Click it and Unblock the Notifications