cyclone jawad-এর দাপট রুখতে ছুটি বাতিল কর্মীদের, খোলা হল একাধিক কন্ট্রোল রুম
cyclone jawad-এর দাপট রুখতে ছুটি বাতিল কর্মীদের, খোলা হল একাধিক কন্ট্রোল রুম
শক্তি পাকাচ্ছে সাইক্লোন জাওয়াদ। এখনও পর্যন্ত হাওয়া অফিসের যা পূর্বাভাস তাতে এই ঝড়ের অভিমুখ ওড়িশা উপকূলে। অভিমুখ ওডিশা হলেও তা বলে বাদ যাবে না বাংলাও। ওড়িশা উপকূলে ধাক্কা খেয়ে শক্তি হারালেও বাংলা উপকূলকে ভাসাতে পারে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। এমনটাই আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। ফলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ঝড়কে রুখতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে। ইতিমধ্যে উপকূল এলাকা থেকে মানুষকে সরানোর কাজ চলছে।

সমুদ্রে উপকূল তোলপাড় হওয়ার আশঙ্কা
গত কয়েক বছর আগে আছড়ে পড়ে ইয়াস। ইয়াসের দাপটে তছনছ হয় ওড়িশা। সেই সময় ইয়াসের দাপট ওডিশায় থাকলেও বাংলার সমুদ্র উপকূল তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। আম্ফানের মতো ঝড়ে বিধ্বস্ত না হলেও উত্তাল সমুদ্রে উপকূল তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে ছিল বৃষ্টির দাপট। এবারও বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করা ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের দাপটে বাংলার উপকূল উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। আগামীকাল শনিবার থেকেই পরিস্থিতি বদল হবে বলে আশঙ্কা।

ছুটি বাতিল করা হয়েছে
বাংলায় আম্ফানের স্মৃতি টাটকা। আম্ফানের কারনে তছনছ হয়ে গিয়েছিল কলকাতা সহ উপকূল এলাকা। সেদিকে তাকিয়ে বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। ইতিমধ্যে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ দফতর সহ বেশ কয়েকটি দফতরে ছুটি বাতিল হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ব্লকে এবং জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতরের রিজিওনাল ম্যানেজাররা যোগাযোগ রাখবেন।

কয়েকটি জরুরি নম্বর
বিদ্যুৎ ভবনে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ নম্বর দু'টি হল ৮৯০০৭৯৩৫০৩ ও ৮৯০০৭৯৩৫০৪। সিইএসসির কন্ট্রোল রুমের নম্বর গুলি হল- ৯৮৩১০৭৯৬৬৬ ও ৯৮৩১০৮৩৭০০। হাওড়াতে খোলা হল কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের দু'টি নম্বর- ২৯২২৩২৮৭০ ও ৬২৯২২৩২৮৭১। এছাড়া নবান্নেও খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। পুরো পুরিস্থিতি নজর রাখা হবে সেখান থেকেই।

সতর্ক পুলিশ-প্রশাসন
ঝড় নিয়ে সতর্ক পুলিশ। ৯ টি ডিভিশনে থাকবে ডিএমজি টিম। প্রত্যেক টিমে চার জন করে থাকবে। মোট ৯ জন করে থাকবেন টিমে। বিপজ্জন বাড়িত তালিকা তৈরি রাখতে বলা হয়েছে প্রত্যেক থানাকে। সেখানকার বাড়ির লোকেদের অন্যত্র সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গাছকাটার যন্ত্র, দড়ি, হাতুড়ি, রেন জ্যাকেট, ছাতা, গামবুট সব রকম ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। কলকাতা শহরের প্রত্যেক থানা ও ট্র্যাফিক গার্ডেও এই জিনিসগুলি মজুত রাখতে বলা হয়েছে। লিশকর্মীকে ছাতা, রেইনকোট নিয়ে ডিউটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোট যাতে সহজে পাওয়া যায় তার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। গঙ্গা বক্ষে রিভার ট্রাফিক পুলিশ নজরদারি চালাবে।












Click it and Unblock the Notifications