প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ‘দয়া’! পুজোর বাংলায় দুর্যোগের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি
ধেয়ে আসছে আশ্বিনে ঝড়। ধেয়ে আসছে ‘দয়া’। এবার পুজোতেও নিস্তার নেই। পুজোর বাংলা ভাসতে পারে ‘দয়া’র হানায়। পুজোর মুখে আবহবিদরা এই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন।
ধেয়ে আসছে আশ্বিনে ঝড়। ধেয়ে আসছে 'দয়া'। এবার পুজোতেও নিস্তার নেই। পুজোর বাংলা ভাসতে পারে 'দয়া'র হানায়। পুজোর মুখে আবহবিদরা এই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। সেই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় আকারে আছড়ে পড়তে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে।

উপগ্রহের পাঠানো ছবি অনুযায়ী, বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। সমুদ্র থেকে তা ক্রমশ শক্তি সংগ্রহ করে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে। তারপর তা স্থলভাগ স্পর্শ করতে পারে। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে 'দয়া'। 'দয়া' ভূ-ভাগ স্পর্শ করার পরই ওড়িশা উপকূলের দিকে যেতে পারে। তারপর ওড়িশাতে আছড়ে পড়ে ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ অভিমুখে চলে যেতে পারে।
আবহবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি যে গতিপথ দিয়ে যাবে, সেই সকল অংশে প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকী এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলারও বেশ কিছু জেলায় প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা থাকছে। 'দয়া' অভিমুখ পরিবর্তন না করলে, বাংলা পুজোর আগে ভাসতে পারে বজ্র-গর্ভ মেঘে।
আবহবিদরা তাঁদের ব্যাখ্যায় জানিয়েছেন, এই সময়টা অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের শেষ আর অক্টোবরের শুরুটা হল বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় মরশুম। এই সময়ে সমুদ্রে ঝড় চলে। তার প্রভাব পড়ে বাংলা ও বাংলাদেশ ও ওড়িশায়। বাংলায় এই ঝড়কে বলা আশ্বিনে ঝড়। এই আশ্বিনে ঝড়েই প্রায় প্রতিবার আকাশের মুখ ভার থাকে পুজোয়। এ মরশুমেও সেই আশঙ্কামুক্ত নয়। তবে পুজো একটু পিছিয়ে যাওয়ায় 'দয়া' দয়া করতে পারে বাংলাকে।












Click it and Unblock the Notifications