Cyclone Dana: ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হল 'দানা', কী প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার
বঙ্গোপসাগরে শক্তিবাড়িয়ে আজই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসবে ঘর্ণিঝড় দানা। বুধবার মধ্যরাতে ল্যান্ডফলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ইতিমধ্যেই ওড়িশা এবং বাংলা উপকূলে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি।
ইতিমধ্যেই গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ৯ জেলায় স্কুলে ছুটি ঘোষণা করেছে। আজ বিকেল থেকেই দুর্যোগ বাড়বে এই নয় জেলায়। কারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর দানা তীব্র গতিতে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসতে থাকবে। অআগামীকাল রাতে সেটি সাগরদ্বীপ এবং ওড়িশার পুরীর মাঝে ধামড়া উপকূলের কাছে ল্যান্ডফল করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

ওড়িশার ১৪টি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুরী থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কার্যত খালি করে দেওয়া হয়ে পুরী। ওড়িশার ১৪টি জেলায় স্কুলে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারীকদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলায় ওড়িশায় পৌঁছে গিয়েছে ২৫ টি NDRF-র দল।
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ওড়িশা সরকার ঘূর্ণিঝড় দানার মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে। এদিকে প্রস্তুতি চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গও। দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমনির সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আজ দুপুর থেকেই উত্তাল হয়ে উঠবে সমুদ্র। তার সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টির দাপট বাড়তে শুরু করবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিবেগে ল্যান্ডফলের সময় ঝড় বইতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকা থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে সুন্দরবনের একাধিক বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সকাল থেকেই সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। আজ থেকেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আগামী ৪ দিন টানা বর্ষণ চলকে রাজ্যের ৬ জেলায়।












Click it and Unblock the Notifications