বুলবুল নিয়ে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস 'ভুল'! হাফ ছেড়ে বাঁচলেন বাসিন্দারা
বুলবুলের আছড়ে পড়ার পূর্বাভাসের পাশাপাশি আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল লন্ডভন্ড হবে উপকূলের এলাকা। তা হয়নি। অন্যদিকে বুলবুল-এর হানার জেরে রবিবারও সারাদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। তাও হয়নি।
বুলবুলের আছড়ে পড়ার পূর্বাভাসের পাশাপাশি আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল লন্ডভন্ড হবে উপকূলের এলাকা। তা হয়নি। অন্যদিকে বুলবুল-এর হানার জেরে রবিবারও সারাদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। তাও হয়নি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হওয়ায় হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকেও বেঁচেছে সাধারণ মানুষ।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস
আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস দিয়েছিস বুলবুল স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর লন্ডভন্ড হবে উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা। তা হয়নি। এছাড়াও রবিবারেও উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। যদিও তাও হয়নি। ভোরেই বৃষ্টি কমে দিয়েছে। মেঘ থাকলেও রোদও দেখা গিয়েছে।

আছড়ে পড়ার পরেই শক্তি ক্ষয় বুলবুলে
মূলত স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পরেই শক্তি ক্ষয় হয় বুলবুলে। বলা হয়েছিল অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রূপে আছড়ে পড়বে বুলবুল। কিন্তু তা হয়নি। প্রবল ঘূর্ণি ঝড় রূপে আছড়ে পড়েছে। আছড়ে পড়ার পর তা ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়। এরপর বাংলাদেশের প্রবেশের পর আস্তে আস্তে তা নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। দ্রুত শক্তি ক্ষয়ের ফলেই আবহাওয়ার এই উন্নতি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

ক্ষতি হলেও বিপর্যয় তেমন হয়নি
ক্ষতি হলেও বিপর্যয় তেমন হয়নি। অন্যবারের মতো এবারও সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ঘূর্ণিঝড়কে ঠেকিয়ে দিয়েছে। জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ঘূর্ণিঝড় মূলত আছড়ে পড়েছিল সুন্দরবনের জনমানবহীন দ্বীপগুলিতে। গাছ উপড়ানো থেকে মাটির ঘর ভাঙা, ক্ষতি হলেও বিপর্যয় তেমন হয়নি।

আবহাওয়া দফতরের সঙ্গে প্রশাসনের সমন্বয়
তবে অনেকেই বলছেন আবহাওয়া দফতরের সঙ্গে প্রশাসনের সমন্বয় আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। বিপর্যয় না হওয়ার অপর একটি কারণ এটি। এবার ঝড়ের গতিবিধির তথ্য পাওয়া পর প্রশাসনের তরফে প্রায় ১ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষকে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছিল। বিপর্যয় মোকাবিলায় রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছিল।












Click it and Unblock the Notifications