শপথের আগে কালীঘাটে পুজো সিভি আনন্দ বোসের, নীল-সাদা হাঁড়িতে রাজভবনে রসগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী
শপথের আগে কালীঘাটে পুজো সিভি আনন্দ বোসের, নীল-সাদা হাঁড়িতে রাজভবনে রসগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী
আজই পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেবেন সিভি আনন্দ বোস। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রাজভবনে নীল সাদা হাঁড়িতে রসগোল্লা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন রাজ্যপালের সঙ্গে সুসম্পর্কের আশা করেই এই মিষ্টি উপহার পাঠানো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে আজ সকালেই কালীঘাটে গিয়ে পুজো দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস।

জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা যে কোন পর্যায়ে ছিল তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। জগদীপ ধনখড়কে বিজেপির মুখপাত্র পর্যন্ত বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে জগদীপ ধনখড় নিজে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। রাজ্যের আমলা এবং পুলিশরা পার্টি ক্যাডারের মত আচরণ করছে বলে প্রকাশ্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। একুশের ভোটের আগে থেকে যতদিন ধনখড় রাজ্যপাল পদে ছিলেন ততদিন রাজভবনের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা চরমে উঠেছিল।
ধনখড়ের রাজ্যপাল পদের মেয়র শেষ হওয়ার পর যেন হাফ চেড়ে বেঁচেছিল রাজ্য সরকার। নতুন কে রাজ্যপাল হয়ে আসবেন তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। শেষে মোদী ঘনিষ্ঠ সিভি আনন্দ বোসকে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বিজেপির বিরোধী করলেও প্রধানমন্ত্রী মোদীর কিন্তু প্রশংসা করেছেন তিনি। মোদী ভাল বিজেপি খারাপ এরকমই একটা বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে মোদী ঘনিষ্ঠ সিভি আনন্দ বোসকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করায় কি বাড়তি সুবিধা পাবেন মমতা। এই নিয়ে জল্পনা চড়ছে।
এদিকে সুসম্পর্করে বার্তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজভবনে পৌঁছে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো বিশেষ মিষ্টির হাঁড়ি। ধর্মতলার একটি জনপ্রিয় মিষ্টির দোকান থেকে রসগোল্লা পাঠানো হয়েছে. দুটি হাঁড়িতে মোট ৫০টি করে ১০০টি রসগোল্লা পাঠানো হয়েছে রাজভবনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সৌজন্যকে আবার কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, ' মিষ্টি খাইয়ে লাভ নেই। বিদ্বান, দূরদর্শী রাজ্যপালের অভিজ্ঞতা সরকার কাজে লাগালে রাজ্যের ভাল হবে। '
এদিকে রাজ্যপালের শপথ গ্রহনের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে আমরা ওরা। রাজ্য সরকারের বসার ব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বুধবার শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে যোগ দেননি শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পদের মর্যাদা দিয়ে বসার জায়গা রাখেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। সাধারণ বিধায়কদের পাশে বসার জায়গা দেওয়া হয়েছে বিরোধী দলনেতাকে। পদের অপমান করেছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েই যোগ দেননি রাজ্যপালের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে।












Click it and Unblock the Notifications