কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, পুরপ্রধানের স্বামীকে শাড়ি পরানোর অভিযোগ কোচবিহারে
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর দেওয়ার জন্য ২ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠল পুরপ্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে।
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর দেওয়ার জন্য ২ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠল পুরপ্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। কাটমানি ফেরত চেয়ে পুরপ্রধানের স্বামীকে শাড়ি পরানোর চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। পুরপ্রধানের স্বামী আবার ওই পুরসভার সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। শেষপর্যন্ত তিনি লিখিত ভাবে নিজের দোষ কবুল করে নেওয়ার পর রেহাই পান।

এই কাটমানি বিক্ষোভের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে।
মেখলিগঞ্জের পুরপ্রধান মিঠু সরকারের স্বামী বিষ্ণু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি দেওয়ার জন্য ২ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। পুরপ্রধানের স্বামী আবার মেখলিগঞ্জ পুরসভার সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আবেদনের জন্য ২ হাজার টাকা করে নিলেও মাত্র ১০০ টাকার করে রসিদ দিয়েছেন তিনি। টাকা ফেরত চেয়ে সোমবার বিকেলে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির মহিলা মোর্চা। তাঁদের দাবি, বিষ্ণুবাবুকে আমাদের কাটমানির টাকা ফেরত দিতে হবে। এমনকী বিষ্ণুবাবু অধিকারীকে শাড়ি পরানোরও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, চাপের মুখে পড়ে ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে দোষ কবুল করে নিয়েছেন বিষ্ণু অধিকারী। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১২ দিনের মধ্যে কাটমানির টাকা ফেরত দেবেন। ১২ দিনের মধ্যে ওই টাকা ফেরত না দিলে ফের আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষ্ণু অধিকারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্য বিজেপি লোকজনকে নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications