BJP-CPM Alliance: বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করে পঞ্চায়েতে সিপিএম, ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের
পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু জায়গায় অলিখিত জোট হয়েছিল বিজেপি ও সিপিএম। হাত ধরাধরি করে লাল-গেরুয়া শিবির তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটে লড়েছিল। আর পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনেও একাধিক জায়গায় দেখা গিয়েছে বিজেপি ও সিপিএমের বোঝাপড়া।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বোর্ড তৈরি করায় সিপিএম নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। তবে এই কাজে নেমে ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হওয়ার জোগাড় সিপিএমের। সিপিএমের যখন ধীরে ধীরে বাংলায় পুনরুত্থান ঘটতে শুরু করেছে, তখনই কয়েকশো নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

২০১৯-এর লোকসভা ভোটে বামেদের ভোট চলে গিয়েছিল বিজেপির দিকে। তার ফেল সিপিএম শূন্য নেমে গিয়েছিল, আর বঙ্গে বিজেপির উত্থান হয়েছিল। একুশের ভোটেও সেই একই ছবি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু একুশের ভোটের পর থেকে সিপিএম তথা বামেরা ধীরে ধীরে কামব্যাক করতে শুরু করেছিলেন।
উপনির্বাচন, পুরনির্বাচন এবং হালে পঞ্চায়েত ভোটে সিপিএম বহুক্ষেত্রেই ভালো ফল করেছে। বামেদের ভোট আবার নিজেদের ঝুলিতে ফিরতে চলেছে। কিন্তু বর্তমানে যেভাবে বিজেপির সঙ্গে যেভাবে সমঝোতা করে সিপিএম পঞ্চায়েত বোর্ড গড়ছে তাতে আতঙ্কিত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।
সিপিএম ক্ষমতার বৃত্তে থাকার জন্য অনেক ক্ষেত্রে বিজেপি, আবার কতিপয় ক্ষেত্রে তৃণমূলের সঙ্গেও সমঝোতা করেছে। তা একেবারেই ভালো চোখে দেখছে না সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্ব। তারা কয়েকশো নেতা-কর্মীকে বেছে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার থেকে শুরু করে শোকজ, সাসপেনশন-সহ একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চাইছে।
সিপিএম কোনওমতেই নীতির সঙ্গে আপোশ করতে নারাজ। কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হতে বসেছে, সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় এই প্রবণতা বেশি। এই জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ জন সিপিএম নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ১৫০ জনকে।
এছাড়াও নদিয়া-সহ একাধিক জেলায় সিপিএমের মধ্যে এই প্রবণতা লক্ষ্যনীয়। তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লিফলেট ছড়িযে জানানো হয়ছে, যাঁরা বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করে পঞ্চায়েত বোর্ড গড়ছে, তাদের সঙ্গে দলের কোনও যোগাযোগ নেই। তাঁরা দলের কেউ নন।
এখানে উল্লেখ্য নদিয়ায় প্রায় ১৮ থেকে ২০ পঞ্চায়েতে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্চায়েত গড়েছে সিপিএম। এখানেই অশনি সংকেত দেখছে সিপিএম। সিপিএমের ভোট যখন ধীরে ধীরে ফিরতে শুরু করেছিল, তখন এই প্রবণতা ২০২৩-এর লোকসভা ভোটের আগে বুমেরাং হতে পারে। ঠিক যেমন হয়েছিল ২০১৯-এ, সেই আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications