কাজের বেলায় কাজি নয়, বড় বড় কথাই সার দুটো পার্টির, কে ছাড়লেন এমন হুঙ্কার
মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শুধু বড় বড় কথা বলে বেড়ান, কিন্তু আসল কাজের বেলায় কি্ছুই নয়। দীর্ঘদিন হল কেন্দ্র ও রাজ্যে পাহাড় সমস্যার সমাধান করতে পারেনি।
'রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই শাসকদলই শুধু বড় বড় কথা বলার ওস্তাদ। যেমন দিদি, আর তেমনই মোদী। মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শুধু বড় বড় কথা বলে বেড়ান, কিন্তু আসল কাজের বেলায় কি্ছুই নয়। দীর্ঘদিন হল কেন্দ্র ও রাজ্যে পাহাড় সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। একে অপরকে আক্রমণ করতেই ব্যস্ত ওরা।' শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র্ চাঁছাছোলা ভাষায় বিঁধলেন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে।

রবিবার সূর্যকান্তবাবু বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী তো সবসময় বলে থাকেন, পাহাড় হাসছে। কিন্তু পাহাড়ও যে কাঁদে, সেদিকে একটু তাকান। শুধু বড় বড় কথা বললেই সমাধান করা যায় না। সমাধান করতে হলে, অনেক কিছুর সঙ্গে আপোশ করতেও হয়। শুধু মুখ্যমন্ত্রী একা নন, প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে বড় বড় কথা বলতে পছন্দ করেন। কিন্তু কাজের কাজ করতে পারেন না।'
সূর্যকান্ত মিশ্র আরও বলেন, 'নেপালি ভাষাকে আমরাই স্বীকৃতি দিয়েছি। কিন্তু কিছু মানুষ বিভেদ তৈরির সৃষ্টি করছে।
সরকারের কর্তব্য সেই বিভেদকে রুখে শান্তি ফেরানো। কিন্তু সরকারই যদি বিভেদে ইন্ধন দেয়, তাহলে প্রতিকূলতা তৈরি হতে বাধ্য। মুখ্যমন্ত্রী যতই বলুন পাহাড় এখনও স্বাভাবিক নয়। পাহাড়কে ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক জরুরি, তা করতে পারছে কই দুই সরকার!'

এদিন শিলিগুড়ি থেকে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন, 'ক্ষমতা থাকলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করে দেখান। এই পঞ্চায়েতেই প্রমাণ হয়ে যাবে, কার দিকে মানুষের সমর্থন।' এ প্রসঙ্গেই তিনি উল্লেখ করেন, 'শিলিগুড়িতে একটি নির্বাচনেও জিততে পারেনি তৃণমূল। এখানে এখন পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে।'
তিনি বলেন, ''শিলিগুড়িই বামেদের ঘুরে দাঁড়াবার পথ দেখাবে। আসন্ন পঞ্চায়েত যুদ্ধে তাঁরা যথেষ্ট ভালো ফল করবেন বলে আশা্বাদী। শুধু একটাই আশঙ্কা, তৃণমূল কংগ্রেস সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হতে দেবে কি না। শিলিগুড় মডেল প্রয়োগ করে রাজ্যে শাসকদলকে আটকাতে মরিয়া হয়ে নামতে হবে আমাদের।'












Click it and Unblock the Notifications