Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বুদ্ধবাবুর ওয়ার্ড-সহ দুটিতে লিড পেলেন সায়রা, বালিগঞ্জ থেকে অক্সিজেন পেল সিপিএম

বালিগঞ্জে ঘুরে দাঁড়াল সিপিএম। তৃণমূলের কাছে হারলেও তারা ফের প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেল বাংলার রাজনীতিতে। তৃণমূলের ভোটে থাবা বসিয়ে প্রকৃত অর্থেই তারা দ্বিতীয়স্থানে উঠে এল।

বালিগঞ্জে ঘুরে দাঁড়াল সিপিএম। তৃণমূলের কাছে হারলেও তারা ফের প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেল বাংলার রাজনীতিতে। তৃণমূলের ভোটে থাবা বসিয়ে প্রকৃত অর্থেই তারা দ্বিতীয়স্থানে উঠে এল। বিজেপিকে প্রায় ১৮ হাজার ভোটে হারিয়ে রাজ্যে তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে নাম খোদাই করে দিল তাঁরা। এই নৈতিক জয়ের মধ্যে তারা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ওয়ার্ড-সহ দুটি ওয়ার্ড ছিনিয়ে নিল তৃণমূলের কাছ থেকে।

বুদ্ধবাবুর ওয়ার্ড-সহ দুটিতে লিড সায়রার, অক্সিজেন সিপিএমের

বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে সিপিএম হারল ঠিকই, কিন্তু নৈতিক জয় পেল। সেইসঙ্গে পেল অক্সিজেনও। বালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে সিপিএম উঠে এল দ্বিতীয় স্থানে। আর এই লড়াইয়ে সিপিএম দুটি ওয়ার্ড ছিনিয়ে নিল তৃণমূলের কাছ থেকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং তার পাশের ৬৪ নম্বর ওয়ার্জে তৃণমূলকে টেক্কা দিল সিপিএম।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের কাছ থেকে কলকাতার কোনও ওয়ার্ড থেকে লিড পাওয়া তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার। সিপিএম বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে সেটাই করে দেখাল। বালিগঞ্জ বিধানসভার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ওয়ার্ডে ৩৫৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছে সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। তিনি ভোট পেয়েছেন ১১৩২৪টি। আর তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয় ভোট পেয়েছে ১০৯৫৫টি। কংগ্রেস ও বিজেপি ভোট পেয়েছে যথাক্রমে ১০৭৪ ও ৩৫০৬।

শুধু বুদ্ধদেববাবুর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডেই নয়, সিপিএম এগিয়ে রয়েছে ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডেও। ৬৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সিপিএম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ৫৭৮২। সেখানে তৃণমূল প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ৫৫৮০। কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়েই ৫৯১টি করে ভোট পেয়েছে। কী কারণে সিপিএম এই ওয়ার্ড দুটিতে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে সমর্থ হল, তা নিয়েই রাজনৈতিক পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।

সিপিএমের দাবি, বালিগঞ্জ বিধানসভায় প্রায় ৪৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট। সেই কথা মাথায় রেখে তারা সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিল বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে। সম্প্রতি সংখ্যালঘুরা একটু একটু করে সিপিএমের দিকে মুখ ফেরাচ্ছেন। তা বুঝেই সায়রা শাহ হালিমকে প্রার্থী করা হয়েছিল। তাঁরা তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে বেছে নেয় সিপিএমকে। যদিও ২০২১-এর নির্বাচনেও সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। প্রার্থী করা হয়েছিল ফুয়াদ হালিমকে।

সংখ্যালঘু ভোট সিপিএমের দিকে ঘুরে যাওয়ার আরও একটি কারণ হল তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়ের গায়ে সাম্প্রদায়িক তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেছেন। তাঁর কিছু পুরনো বিবৃতিকে সামনে এনে প্রচার চালানো হয়েছে। তার ফলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা গিয়েছে। ফলে কিছু ভোট সিপিএমের দিকে ঘুরে গিয়েছে।

বামেরা মনে করছে, বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে। ফলে রামে চলে যাওয়া ভোট আবার ফিরতে শুরু করেছে বামে। পুরসভা ভোটেও এই ট্রেন্ড লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এবার তা আরও স্পষ্ট। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম মনে করছেন, আরও যদি ভোট পড়ত, তবে ফলাফল বদলে যেতেও পারত।

এদিনের ভোট আবার দেখিয়ে দিল কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়ে বামেরা ফের প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাচ্ছে। যাঁরা যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তাঁরা আবার ফিরে আসছেন বামেদের দিকে। জোট হলে একটা সমীকরণ লক্ষ্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা যে, কংগ্রেসের ভোট সিপিএমে আসে না। কংগ্রেস প্রার্থী না দিলে তা তৃণমূলে চলে যায়। ফলে সুবিধায় হয়ে যায় তৃণমূলের। তার থেকে কংগ্রেস ও সিপিএম বা বামেরা আলাদা লড়াই করলেই সুবিধা মেলে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+