বামপন্থায় সায় নেই বাংলার! তৃণমূলের সঙ্গে ফের জোটের পক্ষেই সওয়াল সিপিআইএমএলের
রাজ্যে তৃণমূলের বিকল্প কে? এটা বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে বর্তমান রাজনীতিতে। বাংলার মানুষ চাইছে না ফিরে আসুক বামপন্থা। এমনই রায় বামফ্রন্টেরই এক শরিকের। তাই বর্তমানে বিজেপি যখন প্রধান শত্রু, তখন তৃণমূলের সঙ্গে জোটই কাম্য।
রাজ্যে তৃণমূলের বিকল্প কে? এটা বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে বর্তমান রাজনীতিতে। বাংলার মানুষ চাইছে না ফিরে আসুক বামপন্থা। এমনই রায় বামফ্রন্টেরই এক শরিকের। তাই বর্তমানে বিজেপি যখন প্রধান শত্রু, তখন তৃণমূলের সঙ্গে জোটই কাম্য। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করলেন সিপিআইএমএল লিবারেরশনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য।

৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটেছে ২০১১ সালে। তার পর ২০২১ সালে বামফ্রন্ট তলানিতে ঠেকেছে। তলানিতে ভললেও ভুল হবে, বামফ্রন্ট শূন্য হয়ে গিয়েছে বিধানসভায়। এই অবস্থায় উপনির্বাচনে ফের লড়াইয়ে ফেররা ইঙ্গিত দিলেও এই মুহর্তে বামপন্থা ফিরে আসুক, তা চাইছেন না রাজ্যের মানুষই। তাই বিকল্প ভাবার সময়ে এসেছে এবার।
সম্প্রতি সিপিআইএমএল লিবারেরশনের দ্বাদশতম রাজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেই সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সিপিআইএমএল লিবারেরশনের সর্বভারতীয় সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বামফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএমের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বামপন্থার প্রতি বাংলার বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী করেন সিপিএমকে। তাঁর কথায়, সিপিএম পরিচালিত বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের শাসন ক্ষমতার শেষদিকে ব্যর্থতার কারণেই বাংলার মানুষের মনোভাব বদলে গিয়েছে বামপন্থরা প্রতি। ৩৪ বছরের শাসনের শেষের দিকে বামফ্রন্ট সরকারের ভূমিকা সঠিক ছিল না।
২০২৪-এর প্রাক্কালে দীপঙ্কর ভট্টাচার্য সাফ জানান এখন বিরোধী সমস্ত দলের একটাই লক্ষ্য হওয়া উঠিত বিজেপিকে হারানো। আর তার জন্য জাতীয় স্তরে বিরোধী ঐক্য দরকার। কংগ্রেস-তৃণমূলসহ সমস্ত বিরোধী দলকে ঐক্যে শামিল হতে হবে। তবে বিজেপির বিদায় সম্ভব। বিজেপিকে হারাতে সর্বাত্মক বিরোধী জোট দরকার একথা আগেও বলেছিলেন তিনি, আবারও তিনি সওয়াল করলেন তৃণমূলের সঙ্গে জোটের হয়ে।
এদিন দীপঙ্কর ভট্টাচার্য সাফ জাননা বিজেপির মতো পরাশক্তিকে হারাতে তৃণমূলের হাত ধরতে তাদের কোনও আপত্তি নেই। তাঁরা চান বিজেপির পতন। দেশের কল্যাণে সেটাই সর্বাগ্রে দরকার। তাই তৃণমূলের জোটে শামিল হয়ে বিজেপির পরাজয় সাধন করাই তাঁদের লক্ষ্য। তিনি এর আগেও ডাক দিয়েছিলেন নো ভোট টু বিজেপি। আবারও তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে সওয়াল করে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি কতটা বিজেপিকে হারাতে তিনি কতটা মুখিয়ে আছেন।
এদিন তিনি ফের তৃণমূলের সঙ্গে বামেদের জোটের পক্ষে সওয়াল করেন। এর আগে তিনি বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে ছিলেন। এবারও তিনি রাখঢাক না করেই বললেন, কী করা উচিত বামেদের। কেননা বিজেপিকে দেশ থেকে হটাতে বামেদের সমান ভূমিকা নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।












Click it and Unblock the Notifications