বিহার ছাড়িয়ে এবার বাংলায় আসাদউদ্দিন! সিপিএম এবং কংগ্রেসের কোন পদক্ষেপ
বিহারের ভোটে সেরকম সাফল্য না পেলেই ভোট কেটে বিজেপিকে সাহায্য করেছে হায়দরাবাদের আসাদুদ্দিনের (asaduddin owaisi) দল মিম (aimim)। এবার তাদের টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ। বিহারে ভোট কাটুয়া আসাদুদ্দিনকে নিয়ে
বিহারের ভোটে সেরকম সাফল্য না পেলেই ভোট কেটে বিজেপিকে সাহায্য করেছে হায়দরাবাদের আসাদুদ্দিনের (asaduddin owaisi) দল মিম (aimim)। এবার তাদের টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ। বিহারে ভোট কাটুয়া আসাদুদ্দিনকে নিয়ে ইতিমধ্যেই হিসেব নিকেশ শুরু করে দিয়েছে এরাজ্যের (west bengal) প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলি।

বিহারের ভোটে আসাদুদ্দিনের মিম
বিহারের ভোটে মহাজোটে ঢুকতে চেয়ে তেজস্বীর কাছে ১০ টি আসন দাবি করেছিল আসাদুদ্দিনের দল মিম। কিন্তু তাতে আমল দেননি তেজস্বী। ফলে ২০ টি আসনে প্রার্থী দেয় তারা। জিতেছে ৫ টি আসনে। ভোটের প্রাপ্ত হার ১.২৪ শতাংশ।

এরাজ্যেও প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা
বিহারের সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে ২০২১-এর ভোটে বিভিন্ন জেলাতে ইতিমধ্যেই টার্গেট করেছে মিম। জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে, উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর, মালদহ। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। দলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিহারের পর তাদের লক্ষ এবার বাংলা। তবে বিহারে সাফল্যে নয়, গত তিন বছর ধরে তারা লড়াইয়ের জন্য জমি তৈরি করেছেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংগঠনও তৈরি হয়েছে। ভোটের লড়াইয়ে নামতে নেতাদের নাম ঘোষণা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা বলেই জানিয়েছেন তিনি।

তৃণমূলকে প্রস্তাব
ইতিমধ্যে রাজ্যের শাসক তৃণমূলের উদ্দেশে প্রস্তাবও দিতে শুরু করেছে মিমি। তারা বলছে আসাদুদ্দিনের দল বিজেপির বিরোধী। তাদের দলের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মিমের মুখপাত্র।

আসাদুদ্দিনের মোকাবিলায় বাম, কংগ্রেস
২০১১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বছরের পর বছর ধরে বাংলার নির্বাচনে দেখা গিয়েছে, সংখ্যালঘুরা বামফন্ট তথা সিপিএমকে ভোট দিয়ে এসেছে। সংখ্যালঘু কিছু ভোট কংগ্রেসও পেত। কিন্তু ২০১১ থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের সিংহভাগ এখন তৃণমূলের ঝুলিতে। তবে গত কিছু ভোটের নিরিখে দেখা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদে এখনও সংখ্যালঘুরা কংগ্রেসকে পছন্দ করেন। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরই হোক কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সিপিএম এখনও সংখ্যালঘু ভোট পেয়ে থাকে। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যালঘু ভোট টিকিয়ে রাখতে পর্যালোচনা শুরু করেছে বাম, কংগ্রেস। কেননা আসাদুদ্দিনের মিম কত আসনে প্রার্থী দেবে, তার ওপর ভোটের অঙ্গ নির্ভর করতে পারে।
মিমকে কীভাবে মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে সিপিএম-ও এব্যাপারে বৈঠক করেছে বলে সূত্রের খবর। দুই দল মতে করছে ২০২১-এর ভোটে মেরুকরণের চেষ্টা হবে। তাতে লাভ হতে পারে বিজেপির। মিম ভোট কেটে তাদের সুবিধা করে দেবে। যদি সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলছেন, রাজ্যের মানুষ তৃণমূল বিজেপি কাউকেই চায় না। বাম গণতান্ত্রিক জোটই মানুষের ভরসা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications