২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে দ্বিগুণ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, চার দিন পর ফের ১০০ পার
করোনার তৃতীয় ঢেউ কেটে যাওয়ার পর ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে। শিথিল হয়েছে বিধি-নিষেধ, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে জীবন। তবে ভাইরাস যে তলে তলে এখনও তার অস্তিত্ব বজায় রেখেছে, তারই প্রমাণ মিলছে করোনা বুলেটিনে। স্বাস
করোনার তৃতীয় ঢেউ কেটে যাওয়ার পর ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে। শিথিল হয়েছে বিধি-নিষেধ, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে জীবন। তবে ভাইরাস যে তলে তলে এখনও তার অস্তিত্ব বজায় রেখেছে, তারই প্রমাণ মিলছে করোনা বুলেটিনে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে প্রকাশিত বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে, একদিনে প্রায় দ্বিগুণ করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল রাজ্যে।

মঙ্গলবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৮। বুধবার সেই সংখ্যাটাই বেড়ে হয়েছে ১১৪। এ দিন মৃত্যুও হয়েছে এক করোনা আক্রান্তের। গত ৫ মার্চের পর বুধবার ফের ১০০ পার হল আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৫ মার্চ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০২। এরপর সেই সংখ্যাটা ক্রমশ কমতে শুরু করে। বুধবার ফের নতুন করে বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা।
যদিও এখনও তেমন কোনও আশঙ্কার মেঘ রয়েছে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে মঙ্গলবারের তুলনায় করোনা পরীক্ষার সংখ্যাও কিছুটা বেড়েছে এ দিন। গতকাল যেখানো পরীক্ষা হয়েছিল ২১ হাজারের কিছু বেশি, আজ সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ২৩ হাজারের বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পজিটিভিটি রেটও বেড়েছে কিছুটা।
মঙ্গলবারের ০.৩২ শতাংশ থেকে সেই হার বেড়ে হয়েছে ০.৪৯ শতাংশ। বুধবার নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১০২ জন। রাজ্যে বর্তমানে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৮.৮৭ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট ২১ হাজার ১৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও ভ্য়াকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া জারি রয়েছে এখনও। দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে, যাতে নতুন করে করোনার কোনও ঢেউ স্পর্শ করতে না পারে।
২০১৯ -এর শেষের দিকে প্রথম করোনা ভাইরাসের হদিশ মেলে চিনে। তারপর একের পর এক দেশে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে সেই ভাইরাস। বিশ্বের মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই কার্যত ভাইরাসের আক্রমণে অস্থির হয়ে পড়ে গোটা মানবজাতি। তারপর গত দু বছর ধরে একটু একটি করে পরিবর্তিত সেই পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করেছে মানুষ।
প্রথম ঢেউ কাটিয়ে উঠতে না উঠতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়েছিল দেশে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের হামলায় মৃত্যু হয় বহু মানুষের। আর তারপর আসে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ঢেউ।
অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল দেশে। তবে আপাতত সেই পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে সতর্কতা এখনও বজায় রাখতে হবে বলে বারবার বার্তা দিয়েছেন চিকিৎসকেরা












Click it and Unblock the Notifications