চিনা কমিউনিস্ট টেকেনি, করোনা ভাইরাসও টিকবে না, মত দিলীপ ঘোষর
চিনা কমিউনিস্ট টেকেনি, করোনা ভাইরাসও টিকবে না, মত দিলীপ ঘোষর
চিনা কমিউনিস্ট টেকেনি, ভাইরাসও টিকবে না। করোনাকে ঠাকুরের সঙ্গে তুলনা করে বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার মেদিনীপুরে করোনা প্রতিরোধে স্থানীয়দের হোমিওপ্যাথি ওষুধ আর্সেনিক এলবাম বিলি করতে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
এদিন মেদিনীপুর শহরে কেরানীতলাতে স্থানীয়দের জন্য করোনা প্রতিরোধী হিসেবে হোমিওপ্যাথি ওষুধ আর্সেনিক অ্যালবাম বিলি করেন দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি জেলা নেতারা। সেখানে হোমিওপ্যাথি ওষুধ বিলির সময়ে উপস্থিতদের উদ্দেশ্যে করোনা প্রতিরোধী হিসেবে কি করতে হবে পরামর্শ দিতে গিয়ে বলেন, 'করোনা ঠাকুরের জন্য বর্তমানের বিভিন্ন নিয়ম মেনে চলুন। না হলে করোনার করুণা পাওয়া যাবেনা৷ মায়ের দয়া হলে শুনেছি, কিন্তু করোনা-র দয়া হলে শেষ হতে হবে।
তিনি আরো বলেন, করোনা ঠাকুর কতোদিন থাকবে কেউ জানে না। এর পুজোর কোনো বিধি নেই , অনেক সময় লাগতে পারে। মা দুর্গা এসে ৫ দিনে বিদায় হন, এই ঠাকুর কতোদিনে যাবেন জানি না৷ থাকলে থাকুন, আমাদের বাড়িতে কুকুর বিড়াল সবই থাকে, এটাই থাকুক৷ তবে আমার যা ধারনা চিনের মাল বেশিদিন টেকে না,ওদের যন্ত্রাংশ বেশিদিন চলে না, ওদের অসুখও বেশিদিন যাবে না। চিনা কমিউনিস্ট টেকেনি, ভাইরাসও টিকবে না। আমরা চিনকেও আটকাবো, চিনের ভাইরাসকেও আটকাব৷'
প্রসঙ্গত, খড়্গপুর পৌর এলাকাতে বর্তমানে প্রাক্তন পুরপ্রধান সহ ১২ জন করোনাতে আক্রান্ত রয়েছেন। সংস্রবে থাকায় কোয়ারেন্টাইনে গিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষী সহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, মহকুমা শাসক সহ স্থানীয় ২০ জন কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতির জন্য টিএমসিকে দায়ী করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
স্থানীয় প্রশাসন ও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি বলেন, ময়লা ফেলার স্থানে লাশ লুকিয়ে ফেলে দিয়ে এসেছে ওরা। পুরো শহরের প্রশাসন ভেঙে পড়েছে৷সবাইকে বিপদে ফেলে এখন পালিয়েছেন৷ ওখানকার চেয়ারম্যান থেকে কাউন্সিলার, পুলিশ অফিসার সবার নামে এফআইআর করা উচিত৷তারা লকডাউন থেকে দুরত্ব কিছুই মানেনি। ওদের জন্য মানুষ ভুল পথে যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications