দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমুখী হলেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে, উদ্বেগ
করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী হয়েছে ভারতে, কমছে সংক্রমণের হার। কিন্তু উদ্বেগ যাচ্ছে না কিছুতেই। তার কারণ মৃত্যুমিছিল। রবিরার করোনার দৈনিক সংক্রমণ কমে ২ লক্ষ ৩০-এ নেমেছে।
করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী হয়েছে ভারতে, কমছে সংক্রমণের হার। কিন্তু উদ্বেগ যাচ্ছে না কিছুতেই। তার কারণ মৃত্যুমিছিল। রবিরার করোনার দৈনিক সংক্রমণ কমে ২ লক্ষ ৩০-এ নেমেছে। কিন্তু শঙ্কা বাড়িয়েছেন মৃত্যু। একদিনে ৮৯৩ জনের মৃত্যু উদ্বেগ বেড়েছে বহুগুণ। তবে এদিন করোনামুক্তের সংখ্যা সংক্রমণের দেড়গুণ

নতুন বছরের শুরু থেকেই ফের করোনা মহামারী সাংঘাতিক রূপ নিতে শুরু করেছিল ভারতে। ইতিমধ্যে এক মাস অতিক্রান্ত। সেখানে করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী হলেও করোনায় মৃত্ নিয়ে চিন্তা বেড়েছে। ওমিক্রনের হাত ধরে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের গ্রাফ কমলেও বাড়ছে মৃত্যু হার। এখনও সেই ঢেউ অব্যাহত।
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ২,৩৪,২৮১ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। দেশ করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে ওমিক্রন হানার পাশাপাশি ডেল্টা সংক্রমণের কারণে। আদতে দেশে চলছে 'ডেলমিক্রনে'র জোড়া স্রোত। এদিন একটু আশার আলো দেখা দিয়েছে সংক্রমণের হার নিম্মমুখী হওয়ায়। তবে মৃত্যু বাড়ায় উদ্বেগ জারি রয়েছে। করোনামুক্তের সংখ্যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে দেড়গুণ তাই সক্রিয় কমেছে।
করোনার মোট সংক্রমণ চার কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এই মুহূর্তে দেশে করোনার মোট সংক্রমণ ৪,১০,৯২,৫২২। করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ে ওমিক্রনের কাঁধে ভর করেই এক লাফে করোনার দৈনিক সংক্রমণ উঠে গিয়েছিল ৩ লক্ষের উপরে। এদিন পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছে ১৪.৫০ শতাংশ।
ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউও ক্রমশই সুনামির আকার নিতে শুরু করেছে। এদিন আবার দেশে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা বেশ বেড়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা দিন কয়েক ধরে ৬০০-র উপরে ছিল। শেষ তিনদিন ৮০০-র উপরে করোনায় মৃত্যু। এদিনও করোনার দৈনিক মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯৩ হয়েছে। করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪,৯৪,১১০-এ পৌঁছে গিয়েছে।
ভারতে গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৮৪ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন, যা সারা দেশে মোট করোনামুক্তের সংখ্যাকে পৌঁছে দিয়েছে ৩,৮৭,১৩,৪৯৪-এ। এদিন পরিসংখ্যান দেখিয়েছে দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সেই রকেট গতি অব্যাহত রয়েছে। করোনার দৈনিক সংক্রমণ এখনও ২ লাখের উপরে, তাতে আতঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা। আতঙ্কিত মৃতের সংখ্যা নিয়েও।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহেও দৈনিক সংক্রমণ ছিল মাত্র সাত হাজার। সেখান থেকে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সংক্রমণ দু'লক্ষের উপরে পৌঁছে গিয়েছে। পজিটিভিটি রেট ১৪.৫০ শতাংশ হয়েছে। দেশে মোট সক্রিয়ের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯৩৭। দেশে মোট ১৬৫ কোটি ৭০ লক্ষের উপরে করোনা ভ্যাকসিন হয়েছে।
করোনার সর্বোচ্চ সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে কেরলে। কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রকে ছাপিয়ে গিয়েছে কেরল। করোনার মোট সংক্রমণে শীর্ষ পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে সবার প্রথম মহারাষ্ট্র। তারপরে রয়েছে কেরালা। কর্নাটক তিন নম্বরে। পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে ৭ নম্বরে। পশ্চিমবঙ্গের উপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ।












Click it and Unblock the Notifications