ক্রমশই খারাপ হচ্ছে শহরের করোনা পরিস্থিতি, কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে ৩১২!
রাজ্যে প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। রেড জোনগুলির তালিকায় রয়েছে কলকাতা। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত কলকাতায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪৬৩। নতুন করে ২৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। তার জেরে শহরে বেড়েছে কনটেনমেন্ট জোন। এই সংখ্যাটা এখন ৩১২। যা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক।

কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় শীর্ষে কলকাতা
এর আগেও কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় শীর্ষে ছিল কলকাতা। তখন সংখ্যাটা ছিল ২২৭। কলকাতার কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় শীর্ষস্থানে ছিল নয় নম্বর ওয়ার্ডের অভয়মিত্র রোড, তিন নম্বর ওয়ার্ডের জেকে ঘোষ রোড-লাল ময়দান-অনাথ দেব লেন, চার নম্বর ওয়ার্ডের রাজা মণীন্দ্র রোড-বেলগাছিয়া এলাকা।

নতুন করে কনটেনমেন্ট জোন হয়েছে যেই জায়গাগুলি
এছাড়াও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বেলগাছিয়া রোড-ইন্দ্র বিশ্বাস রোড-ক্ষুদিরাম বোস সরনি, এক নম্বর ওয়ার্ডের ৩২/৯ বিটি রোড- চিড়িয়া মোড়ের কেসি রোড কনটেনমেন্ট জোনে ছিল। পাশাপাশি খগেন চ্যাটার্জি রোড, কাশীপুর রোডের পুরো বস্তি, ছয় নম্বর ওয়ার্ডের করিম বক্স রোড-২৩/১ ও ২৩/৩ কাশীপুর রোড- শেঠ পুকুর রোড, সাত নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মিত্র লেন থেকে শুরু করে ঘোষপাড়া, বাগবাজার স্ট্রিটও এই তালিকায় ছিল। এইভাবেই উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম কলকাতার বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছিল।

নতুন তালিকা প্রকাশ
কিন্তু সোমবার রাজ্য সরকারের তরফে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রায় ১০০টি নতুন এলাকা কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় যোগ হয়েছে। সংখ্যাটা এখন ৩১২। অর্থাৎ এই জোনগুলিতে সরকারি তরফে ঘোষিত ছাড় মিলবে না।

করোনা ভাইরাসে সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল
রাজ্যে করোনা ভাইরাসে সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল। বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যাও। মঙ্গলবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের পক্ষে করোনা বুলেটিনে জানান, রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যু ও করোনা মুক্ত হওয়ার পরিসংখ্যান।

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত বেড়ে ১৩৪৪
রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হল আরও সাত জনের। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৮ জন। নবান্নের তরফে জানানো হল, বিগত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ জন্। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২৫৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩৪৪।












Click it and Unblock the Notifications