বাংলায় ফের বাড়ছে সক্রিয় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা, আবারও টেক্কা করোনা মুক্তের সংখ্যাকে
বাংলায় ফের বাড়ছে সক্রিয় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা, আবারও টেক্কা করোনা মুক্তের সংখ্যাকে
বাংলায় করোনা সক্রিয়ের সংখ্যা ফের বাড়ল মঙ্গলবার। দৈনিক করোনাজয়ীর সংখ্যার থেকে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা বেশি হল এদিনও। দীর্ঘদিন ধরেই তিন হাজারের আশেপাশে সীমাবদ্ধ থেকেছে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা। টেস্ট বাড়ানো সত্ত্বেও করোনা সংক্রমণ খুব একটা না বাড়ায় স্বস্তি রয়েছে বাংলায়। কিন্তু করোনা মুক্তের সংখ্যা কম হওয়ায় বাড়ল করোনা সক্রিয়ের সংখ্যা।

একনজরে বাংলার করোনা পরিসংখ্যান
স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৩০৯১ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা গতদিন পর্যন্ত ছিল ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন। এদিন ৩০৯১ জন বেড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৫৬ জনে। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬৭৭। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের।

মোট আক্রান্তের নিরিখে পরিসংখ্যান
এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৫৬ জনের মধ্যে এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ২৩ হাজার ২৫৪ জন। এদিন ৩৮ জন বাড়ল সক্রিয়েরপ সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মুক্ত হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ২৯৯৬ জন। মোট করোনা মুক্ত হলেন ১ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫ জন। সুস্থতার রেট বেড়ে হয়েছে ৮৫.৬০ শতাংশ।

করোনা টেস্টিং
করোনা বুলেটিনে জানানো হয়েছে এদিন পর্যন্ত করোনা টেস্ট হয়েছে ২২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৯৪ জনের। ৭৩টি ল্যাবরেটরিতে এই টেস্টিং হচ্ছে। ১০ লক্ষ জনের মধ্যে টেস্টিং রেট ২৪৯২৫। এদিন টেস্টিং হয়েছে ৪২৩৮৮ জনের। মোট টেস্টিংয়ের নিরিখে করোনা সক্রিয়ের হার ৮.৩৩ শতাংশ।

সংক্রমণে উদ্বেগ জেলায় জেলায়
আক্রান্তের হার কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি-সহ বেশ কিছু জেলায় উদ্বেগজনক। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৪৩৯২২। এদিন ৩৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেই আছে উত্তর ২৪ পরগনা। এখানে আক্রান্ত ৩৮৮৬৮ জন। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮১ জন। তারপরেই আছে হাওড়া, হাওড়ায় আক্রান্ত ১৪৪২২। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ১০৬ জন। তারপরের স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এদিন ১৪২ জন বেড়ে হয়েছে ১২৭৫২। হুগলিতে ২১৭ জন বেড়ে আক্রান্ত ৯১৩৭ জন। এরপর পূর্ব মেদিনীপুর ৭৭২২, এদিন বেড়েছে ২৯৮ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরে মোট আক্রান্ত ৬০৪৩, এদিন বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭৫। পাঁচ হাজারেরও বেশি আক্রান্ত দার্জিলিং ও মালদহে।












Click it and Unblock the Notifications