ত্রাণ না পেয়ে কার্যত অনাহারে দিন কাটাচ্ছে বসিরহাট এলাকার কিছু মানুষ
ত্রাণ না পেয়ে কার্যত অনাহারে দিন কাটাচ্ছে বসিরহাট এলাকার কিছু মানুষ
করোনার গ্রাসে জর্জরিত যখন সারা পৃথিবী, তখন করোনা মোকাবিলায় লকডাউন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশ। লকডাউন থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গোটা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ বিলির কাজ চলছে। কিন্তু বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার ইছামতী ব্রীজের নীচে প্রায় ৬৬ টি পরিবারের প্রায় ১৬০ জন মানুষের ক্ষেত্রে তার উলটপুরাণ দেখা গেল। বিভিন্ন জায়গার মানুষ ত্রাণ তহবিল পেলেও সেই ত্রান থেকে বঞ্চিত ওঁরা।

পরিবার গুলির অভিযোগ, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নির্দেশে যেখানে সমগ্ৰ মানুষের ঘর থেকে বেরোনো বারণ, তখন দরিদ্ররা দিন গুজরান করতে গিয়ে পড়ছে বিপাকে। যখন সরকারের একগুচ্ছ প্রকল্পের আওতায় দরিদ্ররা কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে, এছাড়াও চারিদিকের নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন দরিদ্রদের হাতে দৈনিক রসদ তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই প্রাপ্য থেকে তারা বঞ্চিত।
যেখানে এই লকডাউনের জেরে রেশন পাওয়ার কথা, পরিবারগুলি তা পাচ্ছেন, এলাকার রেশন দোকানে গেলে তাদেরকে সাধারণ সময়ের নির্ধারিত রসদ দেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানান, কিন্তু তা তাদের জন্য পর্যাপ্ত নয়। যেখানে এই লকডাউনের জেরে যে নির্ধারিত রেশন পাওয়ার কথা, তা তারা পাচ্ছেন না বলে দাবী পরিবারগুলির। এছাড়াও যেখানে বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় বিধায়করা ও পঞ্চায়েতের ক্ষেত্রে সদস্যরা গরিবদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, সেখানে এই এলাকার বিধায়ককে দেখা যায়নি বলে দাবী জানাচ্ছেন তারা। বিধায়ক তো দুরস্ত পাশে দাঁড়ায়নি কাউন্সিলরও।
এলাকাবাসীদের দাবী, অবিলম্বে যদি তাদের এই দুরবস্থার সুরাহা না হয়, তবে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। কারণ রেশন থেকে মাথাপিছু দু কিলো চাল দিচ্ছে সেই চালে গোটা মাস যাবে কি ! শুধু চাল দিয়ে কি তাদের চলে যাবে ?? প্রশ্ন তুলছেন সীমান্তবর্তী শহর বসিরহাটের বস্তিবাসীর বাসিন্দারা।












Click it and Unblock the Notifications