Cyclone Jawad: শীতল বাতাসেই রক্ষা ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ থেকে! শুধুমাত্র ক্ষতির সম্ভাবনা ফসলের, জানাল আবহাওয়া দফতর
ডিসেম্বরে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ(Cyclone Jawad) । সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনরাজ্যে ব্যবস্থাও হয়েছিল বিস্তর। তবে শনিবার বিকেলে আবহাওয়া (Weather) দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও নেই, আতঙ্কও ন
ডিসেম্বরে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ(Cyclone Jawad) । সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনরাজ্যে ব্যবস্থাও হয়েছিল বিস্তর। তবে শনিবার বিকেলে আবহাওয়া (Weather) দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও নেই, আতঙ্কও নেই। দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

স্বস্তির বার্তা আবহাওয়া দফতরের
শুক্রবারই আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় বাঁক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ছুঁয়ে বাংলাদেশের দিকে যেতে পারে। পাশাপাশি ল্যান্ডফল হওয়া নিয়েও সন্জেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। ২৪ ঘন্টা পরে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনেকটাই স্বস্তির। বলা হয়েছে, শক্তিক্ষয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা নেই, আতঙ্কেরও কোনও কারণ নেই।

হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি
এদিন সকাল পর্যন্তও ৫ ডিসেম্বর সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিকেলের আবহাওয়া বার্তায় তা একেবারে উধাও। বলা হয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম ও হাওড়ায় বৃষ্টি হতে পারে ৬ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত। এইসব জায়গায় ৫ ডিসেম্বর রাতের কিছু বৃষ্টির বেগ কিছুটা বাড়তে পারে। এছাড়া ৫ ডিসেম্ব বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। ৬ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ হয় মূলত হয় তামিলনাড়ুর দিকে
আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, সাধারণভাবে আবহাওয়া গত কারণে ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ মূলত হয় তামিলনাড়ুর দিকে। শতকরা ৯০ শতাংশই দক্ষিণভারতের দিকে চলে যায়। আর যে ১০ শতাংশ ওপরের দিকে আসে, তাদের ক্ষেত্রেই শক্তি বিশেষ থাকে না। আর থাকলেও তা ওড়িশা উপকূলের কাছ দিয়ে বেঁকে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যায়। কেননা ঘূর্ণিঝড়ের সক্রিয়তার জন্য প্রয়োজন হয় স্থলভাগের উত্তাপ আর জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাসের। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ তথা ওড়িশাতেও খুব বেশি শীত না পড়লেও শীতের আবহাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ফলে সমুদ্রের দিকে গিয়েছে শীতল আর শুষ্ক বাতাস। যা জেরে ঘূর্ণিঝড় সেভাবে সক্রিয় হতে পারে না। এবারও তার ভিন্নতা হয়নি।

ক্ষতির সম্ভাবনা ফসলের
এই মুহূর্তে ক্ষতির সম্ভাবনা বলতে মাঠে থাকা ফসলের। কেননা মাঠে রয়েছে ধান। এছাড়াও বেশিরভাগ জায়গায় আলু বীজও পোঁতা হয়ে গিয়েছে। ফলে এই সময়ের বৃষ্টি এইসব ফসলের প্রভূত ক্ষতির সম্ভাবনা, বলছে আবহাওয়া দফতর। তবে যাতে কিছুটা রেহাই পেতে আবহাওয়া দফতরের তরফে নবান্নের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাতে মাঠের যেসব ফসল তোলার মতো অবস্থায় চলে গিয়েছে, সেগুলোকে যাতে তুলে নেওয়া হয়, তা জন্য ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করে। সেই মতো বেশ কিছু জায়গায় মাঠ থেকে ফসল তোলার ছবিও সামনে এসেছে এদিন।












Click it and Unblock the Notifications