‘আমি তৃণমূলের লোক’! বিধানসভায় পা দিয়েই কংগ্রেস বিধায়ক কেন বললেন এ কথা
কতদিন কংগ্রেসে থাকবেন, হয়তো যোগ দেবেন তৃণমূলে। এই আওয়াজ উঠতেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যে যাই বলুক। আমি কেন যোগ দেবো ওদের দলে, আমি তো তৃণমূলেরই লোক!
সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয়ের পর কংগ্রেস শূন্যের গেরো কাটিয়েছে। কংগ্রেসের একমাত্র বিধায়ক হয়ে বিধানসভায় পা দিয়েছেন বায়রন বিশ্বাস। প্রথম দিনেই কংগ্রেস বিধায়ক মোক্ষম জবাবে জানিয়ে দিলেন, আমি তৃণমূলেরই লোক! কেন একথা বললেন তিনি? না তিনি দলবদলের ভাবনাও মাথায় আনেননি। তবু তিনি এই একটি কথায় সবাইকে চুপ করিয়ে দিয়েছেন।
তৃণমূলের কটাক্ষের জবাব দিয়েছেন বায়রন বিশ্বাস। কংগ্রেসের একমাত্র বিধায়ক তিনি কতদিন কংগ্রেসে থাকবেন, হয়তো যোগ দেবেন তৃণমূলে। এই আওয়াজ উঠতেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যে যাই বলুক। আমি কেন যোগ দেবো ওদের দলে, আমি তো তৃণমূলেরই লোক!

বায়রনের ব্যা্খ্যা, তৃণমূল বলছে আমি নাকি বিজেপির ভোটে জিতেছি। কিন্তু আমি বলছি, আমি জিতেছি তৃণমূলের ভোটে। তৃণমূলের মানুষ আমাকে ঢালাও সমর্থন করেছেন। তারা আমাকে লড়াই করার সাহস জুগিয়েছেন। তাই আমি তৃণমূলের লোক। দলবদল করবে কেন, ওসব ভেবে কোনো লাভ নেই।
বায়রন বলেন, মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করেছে, তাই আমি জিতেছি। আমার প্রথম কাজ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। মুর্শিদাবাদের উন্নয়ন করতে হবে। আশা করি বিধানসভা আমাকে সেই সুযোগ দেবে। সরকারের কাছ থেকেও সাহায্য পাবো।
তিনি বলেন, এখনও কবে শপথ জানি না। স্পিকার বলেছেন, তিনি এখনও বার্তা পাননি রাজ্যপালের। রাজ্যপালের বার্তা এলেই শপথ গ্রহণ হবে। এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর সঙ্গে তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান। আবেদন জানান শপথ গ্রহণের।
অধীর চৌধুরী, সাগরদিঘিতে মডেল করেই কংগ্রেস ও সিপিএম হাঁটছে। আসন্ন সমস্ত নির্বাচনে এটাই হবে পাথেয়। মানুষের জোটেই জয় পেয়েছেন তাঁরা। বাংলার মানুষ চাইছেন তৃণমূল ও বিজেপির পার্টির মোহমুক্তি ঘটাতে। সেজন্য তাঁরা আশ্রয় করেছেন বাম-কংগ্রেসকেই। সাগরদিঘির নির্বাচনের ফলাফলই দেখিয়ে দিয়েছে আগামীর পথ।
অধীর চৌধুরী বলেন, সাগরদিঘির উপনির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে- বিজেপি ভোট ১০ শতাংশ কমেছে, তৃণমূলের কমেছে ১৭ শতাংশ, কংগ্রেস বেড়েছে ২৮ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট তৃণমূল আর বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক ভেঙেই আমাদের ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছে। তৃণমূল ও বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকেছেন মানুষ।
এবার সেই সাগরদিঘি মডেলই তৃণমূল ও বিজেপির থেকে মোহমুক্তি ঘটাতে চাইছে মানুষ। কিন্তু শাসকদল তা মানতে চাইছে না। সাধারণ মানুষ মনে করেছেন চোরের দলের থেকে উপযুক্ত দল কংগ্রেস। জোট প্রার্থীই হলেন উপযুক্ত প্রার্থী। তাই জোট প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন। এটাই সাগরদিঘির উপযুক্ত মডেল।












Click it and Unblock the Notifications