স্ত্রী তমালিকার মৃত্যুর পর থেকেই একাকীত্বে ভুগছিলেন লক্ষ্মণ? দ্বিতীয় বিয়ের পর যা জানাচ্ছেন কংগ্রেস নেতা
৭৭ বছরে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন একদা দুর্দন্ডপ্রতাপ নেতা লক্ষ্মণ শেঠ। ২০১৬ সালে তমালিকা পণ্ডা শেঠের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে একাই থাকতেন লক্ষ্মণ শেঠ। আজ মঙ্গলবার সবার নজর এড়িয়েই কলকাতার মানসী দে'কে বিয়ে করেন। ইতিমধ্যে বিবাহের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রাক্তন সাংসদ, বর্তমান কংগ্রেস নেতা।
পাত্রী মানসী কলকাতার ফুলবাগানের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ওই মহিলাও একজন কংগ্রেসের সক্রিয় নেত্রী বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে স্ত্রীয়ের পরিচয়ের ব্যপারে নিজে মুখে অবশ্য কিছু বলতে চাননি লক্ষ্মণ শেঠ নিজে।

তবে এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, নিজের এলাকায় রিসেপশন করা হবে। তবে তা কবে করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে কিছু বলতে চাননি কংগ্রেস নেতা। বলে রাখা প্রয়োজন, ১৯৭৯ সালে তমালিকা পন্ডা শেঠের সঙ্গে বিয়ে হয় লক্ষ্মণ শেঠের। সংসারের পাশাপাশি রাজনীতিতেও তাঁর পাশেই সঙ্গী হিসাবে থাকতেন তমালিকা। হলদিয়া পুরসভার চেয়ারপার্সন হওয়া থেকে মহিষাদলের বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি।
একবার নয়, ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন তমালিকা। কিন্তু হঠাত বদল আসে লক্ষ্মণ শেঠের রাজনীতির জীবনে। সিপিএম থেকে বহিষ্কার করা হয় লক্ষ্মণকে। পাশ থেকে সরে যান একাধিক ঘনিষ্ঠ। কার্যত সেই সময়েও স্বামীর পাশেই সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়েই থাকতেন তমালিকা। রাতারাতি দল ছাড়েন তিনি।

কিন্তু হঠাত করেই শারীরিক একাধিক সমস্যা তৈরি হয় তমালিকা পণ্ডা শেঠে। বাড়তে থাকে শ্বাসকষ্ট। এরপর ২০১৬ সালে তমালিকার মৃত্যু হয়। আর সেই সময় থেকেই একা লক্ষ্মণ শেঠ। যদিও লক্ষ্মণ এবং তমালিকার দুই ছেলেও রয়েছে। কিন্তুই এরপরেও কোথাও যেন একটা একাকীত্ব ক্রমশ গ্রাস করছিল তাকে। এই সময় মানসীর সঙ্গেই নতুন করে সংসার বাঁধার সিদ্ধান্ত নেন প্রাক্তন বাম নেতা।
তবে ৭৭ বছরে বিয়ের পিঁড়িতে লক্ষ্মণ শেঠ! সেই ছবি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল। আর তা শেয়ার করে কেউ কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করছেন তো কেউ আবার শুভেচ্ছা বার্তা দিচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications