তৃণমূলই মারীভয়! তাহলে সিপিএমের সঙ্গে জোটের পর ভাঙন কেন, প্রশ্ন কংগ্রেসে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে ভয় পাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। তাঁদের সঙ্গে লড়াই করে হারতে ভয় নেই, ভয় তৃণমূলের সঙ্গে একসঙ্গে ঘর করতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে তৃণমূলকে ভয় কেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে ভয় পাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। তাঁদের সঙ্গে লড়াই করে হারতে ভয় নেই, ভয় তৃণমূলের সঙ্গে একসঙ্গে ঘর করতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে তৃণমূলকে ভয় কেন? তাঁর কারণ একটাই তৃণমূলের ভাঙন-নীতিতে ছারখার অবস্থা হয়েছে রাজ্য কংগ্রেসের। একে একে তাঁদের গড় অস্তমিত।

এই অবস্থায় তৃণমূলের সঙ্গে থাকলে সেই সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা। কিন্তু এখানেই পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের একটা বড় অংশ। তাঁদের দাবি, ভাঙন তো হয়েছে শেষ দু-বছরে। যখন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ছিল সিপিএম বা বামেদের। তাহলে এই ভাঙনের জন্য তৃণমূলের সঙ্গে জোটকে দায়ী করা হচ্ছে কেন?
২০১১-তে তৃণমূলের সঙ্গে জোট ছিলি ২০১১-তে। বছর দেড়েকের সেই গাঁটছড়ার বাঁধন তো অনেকদিন খেস পড়েছিল, তারপরও তো মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুরের কংগ্রেসি গড় অক্ষত ছিল। তাহলে সমস্যাটা হল কোথায়? মইনুল হকদের মতো অনেকেই এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন যে, নীতি বিসর্জন দিয়ে সিপিএমের সঙ্গে জোট করাই কাল হয়েছিল কংগ্রেসের। তার মূল্য চোকাতে হচ্ছে আজকের কংগ্রেসকে।
সিপিএমের সঙ্গে জোট মেনে নিতে পারেননি নিচুতলার নেতা-কর্মীরা। কারণ সাড়ে তিন দশক ধরে যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে কংগ্রেস কর্মীরা, যাঁদের অত্যাচারের সম্মুখীন হয়েছে, তাঁদের হাত ধরে চলা মেনে নেননি মানুষ। তাই আজ এই হাল হয়েছে কংগ্রেসের অস্তিত্ব সংকট তৈরি হয়েছে প্রদে কংগ্রেসের।

কিন্তু এদিনও রাহুল গান্ধীর সামনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী থেকে শুরু আবদুল মান্নান, দীপা দাশমুন্সি, ওমপ্রকাশ মিশ্র, এমনকী সোমেন মিত্রও তৃণমূলের সঙ্গে জোটের বিরুদ্ধে সওলায় করেছেন। তাঁদের কথায়, তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়ার অর্থ কংগ্রেসের সংগঠনকে একেবারে শেষের রাস্তা দেখানো। কংগ্রেসকে ভাঙছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের ধ্বংসাত্মক রাজনীতির জন্যই কংগ্রেসের শোচনীয় অবস্থা। সিপিএমের সঙ্গে জোট করলে অবশ্য সংগঠনে হাত পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।












Click it and Unblock the Notifications