কংগ্রেসের হতাশজনক পারফরম্যান্স সদস্য সংগ্রহে, কোপ পড়তে পারে অধীরের পদে

বাংলায় ক্রমেই সাইনবোর্ডে হয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস। একুশের নির্বাচনে বিধানসভা থেকে মুছে গিয়েছে কংগ্রেস। এবার একজনও প্রতিনিধি নেই কংগ্রেসের। এমনকী অধীরের গড় মুর্শিদাবাদেও কংগ্রেসকে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে।

বাংলায় ক্রমেই সাইনবোর্ডে হয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস। একুশের নির্বাচনে বিধানসভা থেকে মুছে গিয়েছে কংগ্রেস। এবার একজনও প্রতিনিধি নেই কংগ্রেসের। এমনকী অধীরের গড় মুর্শিদাবাদেও কংগ্রেসকে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে। তারপর নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযানেও হতাশজনক পারফরম্যান্স করেছে কংগ্রেস। এর ফলে অধীরের উপর কোপ পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রদেশ নেতৃত্বের এই দুরবস্থা দেখে হতাশ হাইকম্যান্ড

প্রদেশ নেতৃত্বের এই দুরবস্থা দেখে হতাশ হাইকম্যান্ড

সদস্য সংগ্রহে প্রদেশ কংগ্রেস হতাশজনক পারফম্যান্স করেছে। কার্যত ডাহা ফেল করেছে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্রদেশ কংগ্রেস। অন্য সব রাজ্য যখন ২০২৪-এর আগে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শনে তেড়েফুঁড়ে লেগেছে, সেখানে বাংলার নেতৃত্বের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। বাংলরা প্রদেশ নেতৃত্বের এই দুরবস্থা দেখে হতাশ কংগ্রেসি হাইকম্যান্ড।

কংগ্রেসের হাইকম্যান্ড লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছে

কংগ্রেসের হাইকম্যান্ড লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছে

কংগ্রেসের হাইকম্যান্ড যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছে তার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি প্রদেশ নেতৃত্ব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে সর্বোচ্চ তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে হাইকম্যান্ড। এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে। অধীর চৌধুরী তা করে দেখাতে পারেন কি না, তার উপর নির্ভর করছে প্রদেশ সভাপতি হিসেবে তাঁর ভবিষ্যৎ পথ চলা।

লড়াইয়ে পিছনে পড়ে থাকল অধীরের প্রদেশ কংগ্রেস

লড়াইয়ে পিছনে পড়ে থাকল অধীরের প্রদেশ কংগ্রেস

২০২৪-এর লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এক মাস ধরে দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামে এইআইসিসি। অনলাইন ও অফলাইনে সদস্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয় প্রদেশ নেতৃত্বকে। পয়লা বৈশাখ ছিল সদস্য সংগ্রহ অভিযানের শেষ দিন। হাইকম্যান্ডের কাছে নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে তৎপর হয়ে ওঠে অনেক প্রদেশ নেতৃত্ব। কিন্তু সেই লড়াইয়ে পিছনে পড়ে থাকতে দেখা গেল অধীরের নেতৃত্বাধীন প্রদেশ কংগ্রেসকে।

বঙ্গ কংগ্রেস বাদে সব রাজ্য ইউনিট লক্ষ্যে স্থির

বঙ্গ কংগ্রেস বাদে সব রাজ্য ইউনিট লক্ষ্যে স্থির

দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেমে শুধুমাত্র অনলাইনে প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ সদস্য সংগ্রহ হয়েছে বলে জানান রাহুল গান্ধী। বঙ্গ কংগ্রেস বাদে সব রাজ্য ইউনিট ন্যূনতম ২০ লক্ষ সদস্য সংগ্রহ করেছে। এআইসিসি নিয়ম অনুযায়ী সদস্য সংগ্রহে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়। বুথ সংখ্যা মোতাবেক অর্ধেক বুথে ন্যূনতম ২৫ জন সদস্য করা বাধ্যতামূলক ছিল।

তিন মাস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে অধীর চৌধুরীকে

তিন মাস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে অধীর চৌধুরীকে

সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গেও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে মোট বুথ সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। এআইসিসি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে ১০ লক্ষ সদস্য সংগ্রহ করতে হত। কিন্তু তার ধারকাছে যেতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। বঙ্গ কংগ্রেসের তরফে মাত্র ৬০ হাজার সদস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার সদস্য সংগ্রহের জন্য কোনও জেলাকেই কোনও লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তাই জেলাও সে অর্থে গুরুত্ব দেয়নি এই অভিযানে। এই পরিস্থিতিতে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণেই তিন মাস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে অধীর চৌধুরীকে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+