মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী ঠিক করার আগেই ধাক্কা, লড়াই থেকে সরলেন অধীর গড়ের কংগ্রেস প্রার্থী
মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী ঠিক করার আগেই ধাক্কা, লড়াই থেকে সরলেন অধীর গড়ের কংগ্রেস প্রার্থী
বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের সঙ্গে অধীর গড় বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ (murshidabad) কংগ্রেস শূন্য হয়ে পড়ে। এবার সেখানে নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভয় প্রার্থীর। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই সামশেরগঞ্জ বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

প্রার্থীর মৃত্যুতে পিছিয়ে যায় ভোট
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন রেজাউল হল ওরফে মন্টু বিশ্বাস। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়ার কারণে নির্দিষ্ট দিনে ভোট হয়নি। সেই সময় নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল ১৪ মে ভোট হবে। সেই মতো ২৬ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন এলাকার দীর্ঘদিনের কংগ্রেস নেতা জৈদুর রহমান। প্রচারও শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ইদের কারণে শেষ পর্যন্ত ভোট স্থগিত রাখে নির্বাচন কমিশন। শেষ পর্যন্ত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন জানায় ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরের সঙ্গে ভোট হবে সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। প্রসঙ্গত জঙ্গিপুরেও প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল।

লড়াইয়ে নারাজ কংগ্রেস প্রার্থী
রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। নিজের এই সিদ্ধান্তের জন্য মানুষের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। কারণ হিসেবে জৈদুর রহমান বলেছেন, তিনি লড়াইয়ে নামলে ব্যবসা উঠে যাবেন। ব্যবসার কথা ভেবেই ভোটে না লড়াই করার ব্যাপারে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এব্যাপারে জেলা কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, তারা প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। কেননা প্রার্থী দলের কাছে লিখিত কিছু দেননি। যদি শেষ পর্যন্ত জৈদুর রহমান সিদ্ধান্তে অটল থাকেন, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন অধীর চৌধুরী। তখনই কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হবে বলে জানিয়েছে, জেলা কংগ্রেস।

আমল দিতে নারাজ তৃণমূল
যদিও সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থীর লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে আমল দিতে রাজি নয় তৃণমূল। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা লড়াই করবেন, কে থাকল আর কে না থাকল, তাতে তাদের কিছু যায় আসে না।

ভোটের পরে মুর্শিদাবাদে ব্যাপক দলবদল
বিধানসভা ভোটে মুর্শিদাবাদের ২২ আসনের মধ্যএ নির্বাচন হওয়া ২০ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল দখল করেছিল ১৮ টি আর ২ টি বিজেপি দখল করেছিল। ভোটের পরেই মুর্শিদাবাদ জুড়ে তৃণমূলের পক্ষে ব্যাপক দলবদল লক্ষ্য করা গিয়েছে। গতমাসে রানিনগরের বিজেপি এবং আইএসএফ প্রার্থী তৃণমূলে যোগদান করেন। এর আগে হরিহরপাড়ায় প্রাক্তন ব্লক কংগ্রেস সভাপতি মীর আলমগির পলাশ অনুগামীদের নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। তিনি বিধানসভা ভোটে হরিহরপাড়া থেকে কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ব্যাপারে মত পোষণ করলেন, শীর্ষ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন সোনিয়া গান্ধী।












Click it and Unblock the Notifications