তৃণমূলকে সবক শেখাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে কংগ্রেস! নয়া বার্তা সিপিএমকে
তৃণমূলকে সবক শেখাতে তবে কি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে কংগ্রেস? উপনির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তেই সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে।
তৃণমূলকে সবক শেখাতে তবে কি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে কংগ্রেস! উপনির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তেই সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে হায়দরাবাদ পার্টি কংগ্রেসে জোটের রাস্তা খুলে যাওয়ায় সিপিএমও চাইছে কংগ্রেসকে নিয়ে চলতে।

সেই আঙ্গিকে শুধু গৌতম দেবই নন, রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রও প্রকাশ্যে কংগ্রেসের সমর্থন দাবি করেছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে মহেশতলা থেকেই ফের রাজ্যে একসঙ্গে চলা শুরু করতে পারে কংগ্রেস ও সিপিএম। সমঝোতার রফাসূত্র মেনে মহেশতলায় প্রার্থী দিতে চাইছে না প্রদেশ কংগ্রেস।
কিন্তু সমস্যা একটা রয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস বা সিপিএম কেউই চাইছে না সরাসরি জোটের রাস্তায় যেতে। বিকল্প উপায়ে দুই দল এক হতে চাইছে। একসঙ্গে লড়তে হাইকম্যান্ডের কাছে ব্যাখ্যা দেওয়ার একটা যুক্তিপূর্ণ রাস্তা খোলা রাখাই এখন প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্দেশ্য।
মহেশতলা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল বিধায়ক কস্তুরী দাসের মৃত্যুতে উপনির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। আগামী ২৮ মে এই কেন্দ্রে ভোট। এখানে ইতিমধ্যেই তৃণমূল প্রার্থী করেছে কস্তুরী দাসের স্বামী দুলাল দাসকে। এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিরোধীরা। বিজেপি থেকে শুরু করে কংগ্রেস বা সিপিএম কেউই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি এখনও।
সম্প্রতি সবং, নোয়াপাড়া ও উলুবেড়িয়ায় বাম-কংগ্রেসের জোট হয়নি। তিন ক্ষেতেই শোচনীয় হয়েছে বাম-কংগ্রেসের অবস্থায় তখনও একসঙ্গে ভোট-যুদ্ধে নামার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেনও পক্ষই তা মানেনি। সিপিএম পার্টি লাইন ও কংগ্রেসের হাইকম্যান্ডের চাপে হয়ে ওঠেনি জোট। এবার দুই পক্ষই অনেক নমনীয়।
হায়দরাবাদ পার্টি কংগ্রেসের পর বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে দু-পক্ষই চাইছে জোট গড়ে লড়তে। তাহলে তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে বলে মনে করছে কংগ্রেস ও তৃণমূল। কংগ্রেস তাই ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সিপিএমকে সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এক্ষেত্রে তাঁরা চাইছে সিপিএম বিধানভবনের কাছে সাহায্য চাক সিপিএম। তাহলে হাইকম্যান্ডের কাছে যুক্তি সাজানো সহজ হবে প্রদেশ কংগ্রেসের। দুপক্ষই তাই রফা সূত্র খোঁজার চেষ্টায় রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications