থমথমে আসানসোল-রানিগঞ্জ, রাজ্যের বাহিনীর নেতৃত্বে জাভেদ-সিদ্ধিনাথ
অশান্তির তৃতীয় দিনেও থমথমে আসানসোল। থমথমে রানিগঞ্জও। বিভিন্ন এলাকায় জারি একশো চুয়াল্লিশ ধারা। চলছে পুলিশি টহল। বুধবার কলকাতা থেকে যান পুলিশের পদস্থকর্তারা।
অশান্তির তৃতীয় দিনেও থমথমে আসানসোল। থমথমে রানিগঞ্জও। বিভিন্ন এলাকায় জারি একশো চুয়াল্লিশ ধারা। চলছে পুলিশি টহল। বুধবার কলকাতা থেকে যান পুলিশের পদস্থকর্তারা। পরিস্থিতির পর্যালোচনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় টহল দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

রানিগঞ্জে আধাসেনা মোতায়েনের বিজেপির দাবি খারিজের পর সেখানকার পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠায় নবান্ন। পরিস্থিতির পর্যালোচনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আসানসোল-রানিগঞ্জে টহল দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বাহিনীর নেতৃত্বে পুলিশ কর্তা সিদ্ধিনাথ গুপ্তা ও জাভেদ শামিম। রয়েছেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার বিনীত গোয়েলও।
বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাহিনী নিয়ে উপদ্রুত এলাকায় গিয়েছেন ৩ পুলিশ কর্তা। এলাকায় কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে থানার ওসিদের। গুজব ছড়ালেই দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে পাহাড় অশান্ত হওয়ার সময়েও সিদ্ধিনাথ গুপ্তা ও জাভেদ শামিককে দার্জিলিং পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার।
আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার লক্ষ্মীনারায়ণ মিনা জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত আসানসোল মহকুমায় সব ধরনের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।
সোমবার রানিগঞ্জে রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বেধে গেলে অনেক মানুষ আহত হন। এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি, দোকানপাট এবং গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। কড়া পুলিশি ব্যবস্থা থাকলেও অবস্থা এক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেটের ডিসি অরিন্দম দত্ত চৌধুরী ঘটনাস্থলে গেলে বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন।

এদিকে এই ধরনার জেরে বৃহস্পতিবারও আসানসোল মহকুমার অনেক জায়গায়ই ছিল শুনসান। প্রশাসনের তরফে গুজবে কান না দিতে মাইকিং করা হচ্ছে।
বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘোড়ুই-এর অভিযোগ, পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় অবস্থা খারাপ হয়েছে। আসানসোলের তৃণমূল মেয়রের পাল্টা দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
সিপিএ রাজ্য সম্পাদক, সূর্যকান্ত মিশ্র উত্তেজনা প্রবণ আসানসোল মহকুমার আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছেন। দরকারে সেনা বাহিনীর সাহায্য নেওয়ারও দাবি করেছেন তিনি। সিপিএমের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদলের ভ্রান্ত নীতিতেই এই অবস্থা।












Click it and Unblock the Notifications