উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তে ধর্ষণের অভিযোগ! বিএসএফ-এর এক্তিয়ার নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা তৃণমূলের
শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদায় সীমান্ত পার হতে যাওয়া এক মহিলা ও শিশু সন্তানকে ধাওয়া করে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা। অভিযোগ এরপর শিশু সন্তানের সামনেই ওই মহিলাকে গণধর্ষণ (rape) করে বিএসএফ জওয়ানরা।
শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদায় সীমান্ত পার হতে যাওয়া এক মহিলা ও শিশু সন্তানকে ধাওয়া করে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা। অভিযোগ এরপর শিশু সন্তানের সামনেই ওই মহিলাকে গণধর্ষণ (rape) করে বিএসএফ জওয়ানরা। থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএসএফ-এর দুই জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিএসএফ দুই জওয়ানকে সাসপেন্ড করেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলা হয়েছে।

তৃণমূলের নিশানায় বিএসএফ
এদিন এই ঘটনার নিন্দা করতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করার কাজ কারর কথা বিএসএফ জওয়ানদের। কিন্তু সেই জায়গায় তারা বাঙালি মহিলাকে ধর্ষণ করছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কয়লা আর গরু পাচারের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সীমান্তে বিএসএফ থাকলেও কীভাবে গবাদি পশু পাচার হচ্ছে?

জোর করে বিএসএফ-এর এলাকা বাড়ানো হয়েছে
কুণাল ঘোষ অভিযোগ করে বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার বল পূর্বক রাজ্যগুলির অধিকারে হস্তক্ষেপ করে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি সীমান্তের ১৫ কিমি থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিমি করেছে। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং অসৎ উদ্দেশে এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তিনি ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিএসএফ কর্মীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে কুণাল ঘোষ বলেছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফ থাকা সত্ত্বেও যদি গরু পাচার হয়, তাহলে দায়ী কে? তিনি বলেছেন, বিএসএফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। আর তার মন্ত্রী অমিত শাহ। সেই কারণে এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অমিত শাহের ক্ষমা চাওয়া উচিত। সুষ্মিতা দেব, কাকলিঘোষ দস্তিদারের মতো তৃণমূল সাংসদরা একযোগে শুক্রবার রাতের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, মহিলাদের নিরাপত্তা কখনও প্রতিশ্রুতি হতে পারে না।

মোদী ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা
প্রধান মোদী ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে কুণাল ঘোষ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন নারী স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন, সেই দিন অর্থাৎ ১৫ অগাস্ট গুজরাত সরকার জেল থেকে বিলকিস বানুর খুনিদের মুক্ত করেছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, তাগলে নারীর সম্মান কোথায়? তিনি বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, তারা তখনও মহিলাদের সম্মান করতে শেখেনি।
কুণাল ঘোষ বলেছেন, তৃণমূল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে সম্মান করে কিন্তু বিজেপি সিকিউরিটি ফোর্সকে সম্মান করে না। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিএসএফ-এর অভিজ্ঞ কর্মীদের রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তার কাজে লাগানো হচ্ছে, যার জেরে বাহিনীর মান খারাপ হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications