উধাও ‘এডিট অপশন’! ২ দিন পেরোতেই সেই অপশন তুলে নেওয়ার কারণ কী? বিভ্রান্তিতে পড়েছে BLO-রা
রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন ( SIR)। পশ্চিমবঙ্গ সহ আরও ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। SIR-এর জন্য এনুমারেশন ফর্ম বিলি করাও প্রায় শেষের পথে। আর এই এনুমারেশন ফর্মটিও বিএলও-দেরই আপলোড করতে হবে। তাই কোনও ভুল তথ্য আপলোড হলে তা যাতে পরে এডিট করা যায় সেই কারণে কমিশন গত ১৯ তারিখেই এডিট অপশন দিয়েছিল। মূলত বিএলও-দের সুবিধার কারণেই অ্যাপে এডিট অপশন দেওয়া হয়েছিল। যাতে কোনও ভুলভ্রান্তি হলে পরে বিএলওরা তা অ্যাপেই শুধরে নিতে পারেন। কিন্তু আবারও সেই অপশন তুলে নেওয়ায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন বিএলওরা।

রাজ্যের বহু জায়গা থেকে CEO-এর কাছে বিএলও-দের অভিযোগ আসছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, শাসকদলের বিএলএ-দের চাপেই ভুল তথ্য দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। অনেক ক্ষেত্রেই চাপে পড়ে ভুল তথ্য আপলোড করতে হচ্ছে। গোটা বিষয়টি কমিশনের নজরে আনার পরই কমিশন অ্যাপে এডিট অপশন দেয়। ফলে কোনো ভুল হলে পরে অ্যাপের মধ্যেই ভুল তথ্য ঠিক করতে পারবেন বিএলও-রা।
গত ১৯ নভেম্বর কমিশনের অ্যাপে এডিট অপশন দেওয়ার তথ্য সামনে আসে। কিন্তু খুব একটা কাজে আসেনি এই অপসন। ২ দিন যেতে না যেতেই সেই অপশন তুলে নেওয়া হয়েছে বলে যানা যাচ্ছে। এদিকে, আবার গতকালই জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন CEC জ্ঞানেশ ভারতী। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ফর্ম ডিজিটাইজেশনের সময়সীমা কোনও ভাবেই আর বাড়ানো সম্ভব নয়। আর ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নয় তারও আগে অর্থাৎ ২৫ নভেম্বরের মধ্যেই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। বিএলও-দের তরফ থেকে আরও কিছুদিন সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিএলও-দের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, কাজের চাপ অনেকটাই বেশি, তাই এই কাজ ২ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয়।। জেলাশাসকদের তরফ থেকে CEC-র সামনে বিএলও-দের অনুরোধ করা এই বিষয়টি তুলে ধরা হলে CEC স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, বিএলও-দের বাড়তি চাপ থাকলেও, আগে এই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর অন্যান্য কাজগুলো শেষ করতে আরও সমস্যা হবে।












Click it and Unblock the Notifications