সপ্তাহ শেষেও কড়া ঠাণ্ডার দাপট, রাজ্যের ৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি
শনিবার কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রার পারদ। শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যের ৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি।
শুক্রবারের থেকে শনিবার কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রার পারদ। শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যের ৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি।

আগামি দুইদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১০ থেকে ১১-র মধ্যে ঘোরা ফেরা করবে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। এইসঙ্গে বীরভূম, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমানে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কলকাতার তাপমাত্রা ১১-র আশপাশে থাকলেও, জেলাগুলির তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি কম। জেলায় রাতের তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরা ফেরা করছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, ২০১৪ সাল থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এইরকম শীত পড়েনি বাংলায়। ২০১২-১৩ মরশুমে শেষবারের মতো শীতের দাপট দেখা গিয়েছিল। ডিসেম্বরে কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১০ ডিগ্রিতে, আর জানুয়ারি তা হয়ে গিয়েছিল ৯ ডিগ্রি। তবে সেই রকম ঠান্ডা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে এখনও। আবহ দফতর জানিয়েছে সোমবার পর্যন্ত শীতের এই স্পেল বজায় থাকবে।
শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠতে পারেনি। যা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভোরের দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিমি বেগে উত্তর-পশ্চিম হাওয়া ঢুকেছিল। দিনেও হাওয়া বজায় থাকায় এই তাপমাত্রা।

অন্যদিকে, গোটা দেশে বিশেষ করে ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর ভারত। শুধু রাতের নয়, দিনের তাপমাত্রাও যথেষ্ট কম। উত্তর ও পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রির নিচে। শুক্রবার দেশের মধ্যে শীতলতম ছিল পঞ্জাবের পাতিয়ালা ও উত্তরপ্রদেশের বাহারআইচ। একইসঙ্গে ছিল ঘন কুয়াশার দাপট।
উত্তর ভারতের শীতের এই প্রভাবই পড়েছে বঙ্গে। বলা ভাল বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে। কেননা শুক্রবার যেখানে কালিম্পং-এর তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানে শ্রীনিকেতনের তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।












Click it and Unblock the Notifications