মমতার এই সিদ্ধান্তের জন্যেই চরম ক্ষতির মুখে আলু চাষিরা! জেলায় জেলায় ভয়ঙ্কর ছবি
West Bengal News: পশ্চিমবঙ্গে যে পরিমাণ আলু উৎপন্ন হয়, তার ৬০ শতাংশ রাজ্যের অন্দরেই বিক্রি হয়। বাকি ৪০ শতাংশ চলে যায় ভিনরাজ্যে। তবে সম্প্রতি সব রকমের আলু রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে জ্যোতি, চন্দ্রমুখীই মূলত বিক্রি হয়। রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর বর্ধমান, মেদিনীপুর, হুগলির মতো জেলাগুলিতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোল্ড স্টোরেজে পড়ে রয়েছে বিক্রি না হওয়া আলু।
এখন প্রশ্ন হল, ডিসেম্বর নতুন আলু ওঠার পরও যদি বিক্রি না হয়, তাহলে কী হবে! সে ক্ষেত্রে কোল্ড স্টোরেজের আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। আর সেটা হলে, কৃষকেরও ক্ষতি, কোল্ড স্টোরেজেরও ক্ষতি। সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানাল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা (West Bengal News) ।

কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শুভজিৎ সাহা জানিয়েছেন, রফতানি বন্ধ হওয়ায় কোল্ড স্টোরেজের সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেক আলু পড়ে রয়েছে, যা নষ্ট হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এর ফলে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে না তো! এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কোল্ড স্টোরেজ সিস্টেম আসলে দাম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। আর বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেকেরই পেটে টান পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হতে পারে। অবিলম্বে যাতে আলু রফতানি চালু করা হয়, সেই আর্জি জানাচ্ছে কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, অন্যান্য জিনিসের মতো আলুর দামও প্রবল বেড়ে যায়। সেই দাম যাতে আয়ত্তের মধ্যে থাকে, সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আলু রফতানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তরপর থেকেই বন্ধ রফতানি।












Click it and Unblock the Notifications